২২ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২২ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

‘বকরি ইদ’ ২০২৬ কবে?

নিউজ ডেস্ক: এই বছর বকরি কবে, তা নিয়ে সংসয় ছিল। অবশেষে অবশ্য তারিখ ঘোষণা হয়েছে। এই বছর ভারতে ইদ-উল-আধা কবে পালিত হবে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। ২৭ না ২৮ মে, কবে বকরি ইদ পালিত হবে, তা নিয়ে সকলের মনেই প্রশ্ন ছিল। নাখোদা মসজিদের তরফে জানানো হচ্ছে ২৮ মে, বৃহস্পতিবার পালিত হবে। সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে ২৭ মে ছুটির দিন হিসেবে উল্লেখ থাকলেও ইদ পরের দিন পালিত হওয়ায় ২৮ তারিখেই ছুটি থাকবে রাজ্যে। সেদিনই বন্ধ থাকবে সমস্ত সরকারি স্কুল-কলেজ, অফিস।

হিজরি ক্যালেন্ডারের ১২তম ও শেষ মাস ধুল হিজার দশমতম দিনে পালিত হয় ইদ-উল-আধা। আকাশে নতুন চাঁদ ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন দেশে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা এই উত্‍সব পালন করেন। ভারতে এই ইদ কবে পালিত হচ্ছে? জানিয়ে দিল নাখোদা মসজিদ। ইদের প্রার্থনার পরেই কুরবানি দেওয়া হয়ে থাকে। কুরবানি দেওয়া পশুর মাংস ৩ ভাগে ভাগ করেন মুসলিমরা। একটা ভাগ গৃহস্থ নিজে রাখেন, অন্য একটি ভাগ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের মধ্যে ভাগ করে দেন এবং তৃতীয়টি দরিদ্রদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া হয়।

বখরি ইদে ছাগল, উট বা অন্য কোনও পশুকে বলি দিয়ে সেই মাংস গরিবদের মধ্যে বিতরণ করে দেওয়ার প্রথা প্রচলিত আছে। ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় কিছু উত্‍সর্গ করাই হল কুরবানির ইদের মূল বিষয়। বকরি ইদ পালনের মধ্যে দিয়েই শেষ হয় মুসলিম ধর্মের অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য হজযাত্রা। ইসলাম ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, কুরবানির প্রথা শুরু হয় হজরত ইব্রাহিমের সময়ে। কথিত আছে,পরীক্ষা করার জন্য হজরত ইব্রাহিমকে তাঁর সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস কুরবানি করতে বলেন আল্লাহ। এরপর তিনি তাঁর একমাত্র পুত্রকে কুরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

জনজাতীয় গ্রামীন উৎসব

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘বকরি ইদ’ ২০২৬ কবে?

আপডেট : ২০ মে ২০২৬, বুধবার

নিউজ ডেস্ক: এই বছর বকরি কবে, তা নিয়ে সংসয় ছিল। অবশেষে অবশ্য তারিখ ঘোষণা হয়েছে। এই বছর ভারতে ইদ-উল-আধা কবে পালিত হবে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। ২৭ না ২৮ মে, কবে বকরি ইদ পালিত হবে, তা নিয়ে সকলের মনেই প্রশ্ন ছিল। নাখোদা মসজিদের তরফে জানানো হচ্ছে ২৮ মে, বৃহস্পতিবার পালিত হবে। সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে ২৭ মে ছুটির দিন হিসেবে উল্লেখ থাকলেও ইদ পরের দিন পালিত হওয়ায় ২৮ তারিখেই ছুটি থাকবে রাজ্যে। সেদিনই বন্ধ থাকবে সমস্ত সরকারি স্কুল-কলেজ, অফিস।

হিজরি ক্যালেন্ডারের ১২তম ও শেষ মাস ধুল হিজার দশমতম দিনে পালিত হয় ইদ-উল-আধা। আকাশে নতুন চাঁদ ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন দেশে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা এই উত্‍সব পালন করেন। ভারতে এই ইদ কবে পালিত হচ্ছে? জানিয়ে দিল নাখোদা মসজিদ। ইদের প্রার্থনার পরেই কুরবানি দেওয়া হয়ে থাকে। কুরবানি দেওয়া পশুর মাংস ৩ ভাগে ভাগ করেন মুসলিমরা। একটা ভাগ গৃহস্থ নিজে রাখেন, অন্য একটি ভাগ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের মধ্যে ভাগ করে দেন এবং তৃতীয়টি দরিদ্রদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া হয়।

বখরি ইদে ছাগল, উট বা অন্য কোনও পশুকে বলি দিয়ে সেই মাংস গরিবদের মধ্যে বিতরণ করে দেওয়ার প্রথা প্রচলিত আছে। ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় কিছু উত্‍সর্গ করাই হল কুরবানির ইদের মূল বিষয়। বকরি ইদ পালনের মধ্যে দিয়েই শেষ হয় মুসলিম ধর্মের অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য হজযাত্রা। ইসলাম ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, কুরবানির প্রথা শুরু হয় হজরত ইব্রাহিমের সময়ে। কথিত আছে,পরীক্ষা করার জন্য হজরত ইব্রাহিমকে তাঁর সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস কুরবানি করতে বলেন আল্লাহ। এরপর তিনি তাঁর একমাত্র পুত্রকে কুরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।