০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
০৬ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিমার গয়নায় দেবজ্যোতির জাদু, বালুরঘাট থেকে পাড়ি বিদেশে

বালুরঘাট: বাড়ির প্রতিমার সাজসজ্জা তৈরির শখ থেকেই শুরু। সেই শখই আজ ২৪ বছরের দেবজ্যোতি মোহরার প্রধান জীবিকা। বালুরঘাটের নেপালিপাড়ার বাসিন্দা এই তরুণের হাতে তৈরি প্রতিমার অলঙ্কার এখন ছড়িয়ে পড়ছে জেলা ও রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশ-বিদেশেও। মহালয়ার আগে মৃৎশিল্পীদের হাতে প্রতিমার সাজ পৌঁছে দিতে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাত্র ১৭ বছর বয়সে নিজের বাড়ির দুর্গাপুজোর প্রতিমার জন্য প্রথম অলঙ্কার তৈরি করেন দেবজ্যোতি। তাঁর তৈরি সাজ দেখে প্রশংসা শুরু হয়। এরপর স্থানীয় পুজো কমিটির পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন মণ্ডপ থেকেও আসতে থাকে অর্ডার। দুই বছর আগে তাঁর তৈরি প্রতিমার অলঙ্কার পৌঁছে যায় সুদূর ক্যালিফোর্নিয়াতেও। চলতি বছরে শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জ ও কলকাতার পাশাপাশি বিহার ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন পুজোমণ্ডপেও শোভা পাবে তাঁর হাতের কাজ।
বাবার অসুস্থতা ও সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ২০২১ সাল থেকে এই কাজকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন দেবজ্যোতি। কলকাতার বড়বাজার থেকে কাঁচামাল এনে বাড়িতেই ৫-৬ জন মহিলা কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে চলছে অলঙ্কার তৈরির কাজ। কাজে সহযোগিতা করেন তাঁর মা-বাবাও। তাঁর এই শিল্পকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে জেলা পুলিশ প্রশাসনের তরফেও পুরস্কৃত ও সম্মানিত হয়েছেন দেবজ্যোতি।
দেবজ্যোতির কথায়, “মহালয়ার আগেই প্রতিমার অলঙ্কার মৃৎশিল্পীদের হাতে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

জগৎবল্লভপুরে কংগ্রেসের বিডিও অভিযান, জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল দাহ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রতিমার গয়নায় দেবজ্যোতির জাদু, বালুরঘাট থেকে পাড়ি বিদেশে

আপডেট : ৫ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার

বালুরঘাট: বাড়ির প্রতিমার সাজসজ্জা তৈরির শখ থেকেই শুরু। সেই শখই আজ ২৪ বছরের দেবজ্যোতি মোহরার প্রধান জীবিকা। বালুরঘাটের নেপালিপাড়ার বাসিন্দা এই তরুণের হাতে তৈরি প্রতিমার অলঙ্কার এখন ছড়িয়ে পড়ছে জেলা ও রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশ-বিদেশেও। মহালয়ার আগে মৃৎশিল্পীদের হাতে প্রতিমার সাজ পৌঁছে দিতে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাত্র ১৭ বছর বয়সে নিজের বাড়ির দুর্গাপুজোর প্রতিমার জন্য প্রথম অলঙ্কার তৈরি করেন দেবজ্যোতি। তাঁর তৈরি সাজ দেখে প্রশংসা শুরু হয়। এরপর স্থানীয় পুজো কমিটির পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন মণ্ডপ থেকেও আসতে থাকে অর্ডার। দুই বছর আগে তাঁর তৈরি প্রতিমার অলঙ্কার পৌঁছে যায় সুদূর ক্যালিফোর্নিয়াতেও। চলতি বছরে শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জ ও কলকাতার পাশাপাশি বিহার ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন পুজোমণ্ডপেও শোভা পাবে তাঁর হাতের কাজ।
বাবার অসুস্থতা ও সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ২০২১ সাল থেকে এই কাজকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন দেবজ্যোতি। কলকাতার বড়বাজার থেকে কাঁচামাল এনে বাড়িতেই ৫-৬ জন মহিলা কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে চলছে অলঙ্কার তৈরির কাজ। কাজে সহযোগিতা করেন তাঁর মা-বাবাও। তাঁর এই শিল্পকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে জেলা পুলিশ প্রশাসনের তরফেও পুরস্কৃত ও সম্মানিত হয়েছেন দেবজ্যোতি।
দেবজ্যোতির কথায়, “মহালয়ার আগেই প্রতিমার অলঙ্কার মৃৎশিল্পীদের হাতে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”