০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
০৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

খাস জমি দখল ঘিরে রড-লাঠির হামলা, ১৫ দিনেও অধরা অভিযুক্তরা

মালদা: খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের তিন সদস্যের উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভূতনির দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায়। অভিযোগ, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে এক মহিলা-সহ তিনজনকে মারধর করা হয়। ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আহত পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে রাতে খাস জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরই কানাই মণ্ডল, রিঙ্কু মণ্ডল, সুভাষ মণ্ডল-সহ মোট আটজন সুভাষ মণ্ডল, তাঁর ছেলে অশোক মণ্ডল এবং বৌমা অষ্টমী মণ্ডলের উপর হামলা চালান। রড ও লাঠি দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁদের মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দু’জন চিকিৎসার পর বাড়ি ফিরলেও একজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে পরিবার সূত্রে দাবি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি আহতদের হুমকিও দিচ্ছেন। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে মালদা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খাস জমি দখল ঘিরে রড-লাঠির হামলা, ১৫ দিনেও অধরা অভিযুক্তরা

আপডেট : ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
মালদা: খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের তিন সদস্যের উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভূতনির দক্ষিণ চণ্ডীপুর এলাকায়। অভিযোগ, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে এক মহিলা-সহ তিনজনকে মারধর করা হয়। ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আহত পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে রাতে খাস জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরই কানাই মণ্ডল, রিঙ্কু মণ্ডল, সুভাষ মণ্ডল-সহ মোট আটজন সুভাষ মণ্ডল, তাঁর ছেলে অশোক মণ্ডল এবং বৌমা অষ্টমী মণ্ডলের উপর হামলা চালান। রড ও লাঠি দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁদের মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দু’জন চিকিৎসার পর বাড়ি ফিরলেও একজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে পরিবার সূত্রে দাবি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি আহতদের হুমকিও দিচ্ছেন। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে মালদা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গ্রামবাসীরা।