২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

আইসিডিএস সেন্টারে শিশুকে রান্নার তরকারিতে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, মৃত্যুর মুখোমুখি শিশু

বাঁকুড়া: জয়পুরের আঙ্গারিয়ায় আইসিডিএস সেন্টারে শিশুকে রান্নার তরকারিতে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ মৃত্যুর মুখোমুখি শিশু। আই সি ডি এস সেন্টারে শিশুদের পঠন পাঠন করার পর দেওয়া হয় খাবার। আর খাবার দেওয়ার সময় ঘটল অঘটন এক ছোট শিশুকে রান্নার তরকারিতে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল জয়পুর ব্লকের জগন্নাথপুর অঞ্চলের আঙ্গারিয়া নামোপাড়ার আই সি ডি এস এর শিক্ষিকা রাফিকা দালালের বিরুদ্ধে। শিশুর অবস্থা এতটাই আশঙ্কাজনক যে তাকে প্রথমে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতাল থেকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয় সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তড়িঘড়ি তাকে কোলকাতা রেফার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ। শিশুটির নাম সুরজ খান বয়স ২বছর ৮মাস, পিতা হায়দার খান বাড়ি ঐ গ্রামের‌ই নামোপাড়ায়, অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের তাই তিনি কি করবেন এই মুহূর্তে বুঝে উঠতে পারছেন না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা, হসপিটালে দেখা করতেও জান তারা। অভিযোগের তীর শিক্ষিকা রাফিকা দালালের বিরুদ্ধে শিশুটি জানিয়েছেন তাকে ঐ দিদিমনি ফেলে দেন তরকারিতে। এখন দেখার বিষয় শিশুটি কি জীবিত অবস্থায় ফিরবে না জীবন যুদ্ধে হার মানবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে ঐ শিক্ষিকা রাফিকা দালালের তার‌ই অপেক্ষায় রয়েছে এলাকার মানুষ। এলাকার মানুষের অভিযোগ তিনি সব সময় মোবাইলে মোশগুল থাকেন পঠন পাঠন ও তেমন করান না প্রায়শই অভিভাবকদের সাথে দুর্বহার করে থাকেন । যদিও ঐ দিদিমনি ফেলে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আইসিডিএস সেন্টারে শিশুকে রান্নার তরকারিতে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, মৃত্যুর মুখোমুখি শিশু

আপডেট : ৯ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

বাঁকুড়া: জয়পুরের আঙ্গারিয়ায় আইসিডিএস সেন্টারে শিশুকে রান্নার তরকারিতে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ মৃত্যুর মুখোমুখি শিশু। আই সি ডি এস সেন্টারে শিশুদের পঠন পাঠন করার পর দেওয়া হয় খাবার। আর খাবার দেওয়ার সময় ঘটল অঘটন এক ছোট শিশুকে রান্নার তরকারিতে ঠেলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল জয়পুর ব্লকের জগন্নাথপুর অঞ্চলের আঙ্গারিয়া নামোপাড়ার আই সি ডি এস এর শিক্ষিকা রাফিকা দালালের বিরুদ্ধে। শিশুর অবস্থা এতটাই আশঙ্কাজনক যে তাকে প্রথমে বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতাল থেকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয় সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তড়িঘড়ি তাকে কোলকাতা রেফার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ। শিশুটির নাম সুরজ খান বয়স ২বছর ৮মাস, পিতা হায়দার খান বাড়ি ঐ গ্রামের‌ই নামোপাড়ায়, অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের তাই তিনি কি করবেন এই মুহূর্তে বুঝে উঠতে পারছেন না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা, হসপিটালে দেখা করতেও জান তারা। অভিযোগের তীর শিক্ষিকা রাফিকা দালালের বিরুদ্ধে শিশুটি জানিয়েছেন তাকে ঐ দিদিমনি ফেলে দেন তরকারিতে। এখন দেখার বিষয় শিশুটি কি জীবিত অবস্থায় ফিরবে না জীবন যুদ্ধে হার মানবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে ঐ শিক্ষিকা রাফিকা দালালের তার‌ই অপেক্ষায় রয়েছে এলাকার মানুষ। এলাকার মানুষের অভিযোগ তিনি সব সময় মোবাইলে মোশগুল থাকেন পঠন পাঠন ও তেমন করান না প্রায়শই অভিভাবকদের সাথে দুর্বহার করে থাকেন । যদিও ঐ দিদিমনি ফেলে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।