০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

বৃদ্ধ কর্মীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন গৌতম দেব

দার্জিলিং: নকশালবাড়ির সাউথ স্টেশন পাড়ার ৭০ বছর বয়স্ক মহঃ রুস্তম সম্প্রতি চালের গোডাউনে কাজ করতে গিয়ে চালের বস্তা চাপা পড়ে তার কোমর থেকে শরীরের নীচের অংশ অসার হয়ে পড়ে।তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি সাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তাকে বাড়ি নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যাবস্থা করেন এলাকার স্থানীয় মানুষজন।খবর পেয়ে তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন গৌতম দেব।

তিনি প্রথমে তাকে সবজী,ফল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনে দেন এবং পরে তার আত্মীয়দের সাথে কথা বলে তার চিকিৎসার ব্যাবস্থা করেন।পরে গৌতম দেব সাংবাদিকদের জানান ওই লোকটি বাড়িতে এই বয়োসেও কাজ করে চলেছে,তাই ওকে আমি সন্মান করি।তার উপরে ওর খবর পেয়ে ওকে সাহায্য করবার জন্যই এখানে উপস্থিত হলাম।যদি ও আবার ঠিকমত উঠে দাড়াতে না পারে তবে ওর ছেলের জন্য একটি কাজের ব্যাবস্থা করবো।ওর বাড়ির লোকেদের থাকা এবং খাওয়ার ব্যাবস্থা করবো।আমি এখানকার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের ছেলেমেয়েদের নির্দেশ দিয়ে গেলাম ওর এবং ওর পরিবারের প্রতি যেন নজর রাখা হয়।প্রয়োজনে দরকার পড়লে আমি আবার আসবো এখানে। জানালেন শিলিগুড়ির মেয়র।

দলীপ ট্রফির ফাইনাল রবিবার, ১০০তম প্রথম-শ্রেণির ম্যাচ পূর্ণ করার সময় শামীকে অভিনন্দন জানাবে সিএবি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বৃদ্ধ কর্মীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন গৌতম দেব

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২২, বুধবার

দার্জিলিং: নকশালবাড়ির সাউথ স্টেশন পাড়ার ৭০ বছর বয়স্ক মহঃ রুস্তম সম্প্রতি চালের গোডাউনে কাজ করতে গিয়ে চালের বস্তা চাপা পড়ে তার কোমর থেকে শরীরের নীচের অংশ অসার হয়ে পড়ে।তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি সাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তাকে বাড়ি নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যাবস্থা করেন এলাকার স্থানীয় মানুষজন।খবর পেয়ে তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন গৌতম দেব।

তিনি প্রথমে তাকে সবজী,ফল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনে দেন এবং পরে তার আত্মীয়দের সাথে কথা বলে তার চিকিৎসার ব্যাবস্থা করেন।পরে গৌতম দেব সাংবাদিকদের জানান ওই লোকটি বাড়িতে এই বয়োসেও কাজ করে চলেছে,তাই ওকে আমি সন্মান করি।তার উপরে ওর খবর পেয়ে ওকে সাহায্য করবার জন্যই এখানে উপস্থিত হলাম।যদি ও আবার ঠিকমত উঠে দাড়াতে না পারে তবে ওর ছেলের জন্য একটি কাজের ব্যাবস্থা করবো।ওর বাড়ির লোকেদের থাকা এবং খাওয়ার ব্যাবস্থা করবো।আমি এখানকার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের ছেলেমেয়েদের নির্দেশ দিয়ে গেলাম ওর এবং ওর পরিবারের প্রতি যেন নজর রাখা হয়।প্রয়োজনে দরকার পড়লে আমি আবার আসবো এখানে। জানালেন শিলিগুড়ির মেয়র।