০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

শিলিগুড়িতে তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনার্স হয়ে গেছে সমাজবিরোধীদের আড্ডা

শিলিগুড়ি: বাড়ছে অবৈধ কার্যকলাপ।শিলিগুড়িতে তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনার্স হয়ে গেছে সমাজবিরোধীদের আড্ডা।

রাত হলেই বসে যায় নেশার আসর,চলতে থাকে মদ,জুয়া এবং গাজার ব্যাবহার।ভয়ে রাতের বাসে টিকিটই কাটতে চান না যাত্রীরা।সবাই জানেন সবকিছু অথচ নির্বিকার সবাই।তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনার্সে রাত আটটার পরেই বসে যায় সমাজবিরোধীদের আড্ডা।চলে রাত এগারোটা বারোটা পর্যন্ত।রাতের বাসে কারো টিকিট না থাকায় আরো সুবিধা বেড়ে গেছে সমাজবিরোধীদের।যাদের মধ্যে বেশীরভাগই অবাঙ্গালী।এই কারনে বহু যাত্রী বাসে টিকিট কাটা তো দুরের কথা আসতেই চান না এই বাস টার্মিনার্সে।মাঝে মাঝে অস্ত্র নিয়েও চলে আসেন অনেকে।যাত্রীরা জানিয়েছেন আমাদের টিকিট কেটে ভয়ে ভয়ে টার্মিনার্সে আসতে হয়,এবং যতক্ষন না পযর্ন্ত বাস ছেড়ে দেয় ততক্ষন তটস্থ হয়ে থাকি আমরা।কারন অনেক যাত্রীর সাথে বয়ষ্ক মহিলা,বৌ এবং বাচ্চারা থাকেন।তখন শুরু হয় আরেক অশান্তি।বার বার অভিযোগ জানিয়েও কোন লাভ হয় নি,জানালেন এক যাত্রী।আমাদের এখন বাসে টিকিট কাটা এক চিন্তার ব্যাপার হয়ে গেছে।এই জুয়া এবং নেশার আড্ডা চলছে লকডাউনের সময় থেকেই,জানালেন এক নিত্য যাত্রী।জানিনা কতদিন এভাবে চলবে,হতাশ হয়ে জানালেন তিনি।

ভাঙড় রত্ন সম্মাননা পাচ্ছেন মহম্মদ মফিজুল ইসলাম

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিলিগুড়িতে তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনার্স হয়ে গেছে সমাজবিরোধীদের আড্ডা

আপডেট : ৪ এপ্রিল ২০২২, সোমবার

শিলিগুড়ি: বাড়ছে অবৈধ কার্যকলাপ।শিলিগুড়িতে তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনার্স হয়ে গেছে সমাজবিরোধীদের আড্ডা।

রাত হলেই বসে যায় নেশার আসর,চলতে থাকে মদ,জুয়া এবং গাজার ব্যাবহার।ভয়ে রাতের বাসে টিকিটই কাটতে চান না যাত্রীরা।সবাই জানেন সবকিছু অথচ নির্বিকার সবাই।তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনার্সে রাত আটটার পরেই বসে যায় সমাজবিরোধীদের আড্ডা।চলে রাত এগারোটা বারোটা পর্যন্ত।রাতের বাসে কারো টিকিট না থাকায় আরো সুবিধা বেড়ে গেছে সমাজবিরোধীদের।যাদের মধ্যে বেশীরভাগই অবাঙ্গালী।এই কারনে বহু যাত্রী বাসে টিকিট কাটা তো দুরের কথা আসতেই চান না এই বাস টার্মিনার্সে।মাঝে মাঝে অস্ত্র নিয়েও চলে আসেন অনেকে।যাত্রীরা জানিয়েছেন আমাদের টিকিট কেটে ভয়ে ভয়ে টার্মিনার্সে আসতে হয়,এবং যতক্ষন না পযর্ন্ত বাস ছেড়ে দেয় ততক্ষন তটস্থ হয়ে থাকি আমরা।কারন অনেক যাত্রীর সাথে বয়ষ্ক মহিলা,বৌ এবং বাচ্চারা থাকেন।তখন শুরু হয় আরেক অশান্তি।বার বার অভিযোগ জানিয়েও কোন লাভ হয় নি,জানালেন এক যাত্রী।আমাদের এখন বাসে টিকিট কাটা এক চিন্তার ব্যাপার হয়ে গেছে।এই জুয়া এবং নেশার আড্ডা চলছে লকডাউনের সময় থেকেই,জানালেন এক নিত্য যাত্রী।জানিনা কতদিন এভাবে চলবে,হতাশ হয়ে জানালেন তিনি।