০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

স্বস্তির বৃষ্টির মধ্যে সর্বহারা হলেন এক প্রতিবন্ধীর পরিবার 

বাবলু হাসান লস্কর, নতুন গতি, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা : দীর্ঘ দিন যাবত বৃষ্টি না হওয়ায় বৃক্ষের মুকুল এবং ফুল-ফল গজাতে সমস্যা হচ্ছিল,আর তারই মধ্যে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস বৃষ্টি। এতেই ঘটলো বিপত্তি কুলতলীর বিধানসভার ৫নম্বর নলগোড়া এলাকায় শাহাবুদ্দিন মোল্লা পিতা পোচা মোল্লা একজন প্রতিবন্ধী ,গত রাত আনুমানিক দশটার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন হু হু করে আগুনে পুড়ছে প্রতিবন্ধীর ঘর। আর বাড়ীর লোক জন নীরবে নিভৃতে পড়ে আছে সাড়া শব্দ নেই । বিদ্যুৎ চমকানোর পর বজ্রাঘাতে বাড়ি পড়ে ।এমত অবস্থায় পাশের বাড়ির লোকজন তাদেরকে নিয়ে অন্যত্র সরিয়ে রাখে । উৎকণ্ঠার মধ্যে বারেবারেই তারা জ্ঞান হারাচ্ছেন সেই দৃশ্য সাক্ষী যাঁনারা ছিলেন তারা আমাদেরকে জানালেন।

মুহুর্তে বজ্রাঘাত সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে পড়ে এতেই তারা জ্ঞান হারায় । পাশের বাড়ির লোকজন এসে দেখেন যে ঘর দাউ-দাউ করে জ্বলছে। স্থানীয় লোকজন তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে , কিন্তু ততক্ষণ সব শেষ বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় নথি পুড়ে চাই। একজন প্রতিবন্ধীর এই মুহূর্তের করুন , শোচনীয় অবস্থায় তা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে দাগ কেটেছে। এই মুহূর্তে কি তারা পাবে সরকারি কোনো পুনর্বাসন বা সহযোগিতা । নুন আনতে পান্তা ফুরানো, ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করে যার সংসার চলে , এই মুহূর্তে যে ক্ষতি হয়েছে তা কিভাবে সামলাবেন এই প্রতিবন্ধীর পরিবার!

 

“প্রে ফর নেপাল” চুঁচুড়ায় মানবতার বার্তা নারী শক্তি’র

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্বস্তির বৃষ্টির মধ্যে সর্বহারা হলেন এক প্রতিবন্ধীর পরিবার 

আপডেট : ৫ এপ্রিল ২০২১, সোমবার

বাবলু হাসান লস্কর, নতুন গতি, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা : দীর্ঘ দিন যাবত বৃষ্টি না হওয়ায় বৃক্ষের মুকুল এবং ফুল-ফল গজাতে সমস্যা হচ্ছিল,আর তারই মধ্যে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস বৃষ্টি। এতেই ঘটলো বিপত্তি কুলতলীর বিধানসভার ৫নম্বর নলগোড়া এলাকায় শাহাবুদ্দিন মোল্লা পিতা পোচা মোল্লা একজন প্রতিবন্ধী ,গত রাত আনুমানিক দশটার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন হু হু করে আগুনে পুড়ছে প্রতিবন্ধীর ঘর। আর বাড়ীর লোক জন নীরবে নিভৃতে পড়ে আছে সাড়া শব্দ নেই । বিদ্যুৎ চমকানোর পর বজ্রাঘাতে বাড়ি পড়ে ।এমত অবস্থায় পাশের বাড়ির লোকজন তাদেরকে নিয়ে অন্যত্র সরিয়ে রাখে । উৎকণ্ঠার মধ্যে বারেবারেই তারা জ্ঞান হারাচ্ছেন সেই দৃশ্য সাক্ষী যাঁনারা ছিলেন তারা আমাদেরকে জানালেন।

মুহুর্তে বজ্রাঘাত সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে পড়ে এতেই তারা জ্ঞান হারায় । পাশের বাড়ির লোকজন এসে দেখেন যে ঘর দাউ-দাউ করে জ্বলছে। স্থানীয় লোকজন তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে , কিন্তু ততক্ষণ সব শেষ বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় নথি পুড়ে চাই। একজন প্রতিবন্ধীর এই মুহূর্তের করুন , শোচনীয় অবস্থায় তা সাধারণ মানুষের হৃদয়ে দাগ কেটেছে। এই মুহূর্তে কি তারা পাবে সরকারি কোনো পুনর্বাসন বা সহযোগিতা । নুন আনতে পান্তা ফুরানো, ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করে যার সংসার চলে , এই মুহূর্তে যে ক্ষতি হয়েছে তা কিভাবে সামলাবেন এই প্রতিবন্ধীর পরিবার!