০৪ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
০৪ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

সর্প বন্ধু দেবরাজ চক্রবর্তীর পাশে দাঁড়ালো মেদিনীপুর কুইজ কেন্দ্র

নতুন গতি ওয়েব ডেস্কঃ মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা সর্পবন্ধু দেবরাজ চক্রবর্তী পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলো মেদিনীপুর কুইজ কেন্দ্র সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। মেদিনীপুর শহরের পালবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকা বন্যপ্রাণপ্রেমী যুবক দেবরাজ চক্রবর্তীর নেশাই হলো সাপ উদ্ধার করা। সারাদিনের চব্বিশ ঘন্টায় যখনই খবর পান কোথাও সাপ বেরিয়েছে, তখনই ছুটে গিয়ে সাপটিকে উদ্ধার করে তিনি জঙ্গলে ছেড়ে দেন। এতে যেমন সাপ বেঁচে যাওয়ায় একদিকে জীব বৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষা হয়, তেমনি যেখানে সাপটি বেরিয়েছিল সেখানকার বাসিন্দাদের আতঙ্কও কেটে যায়। সাপ ধরার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত বিজ্ঞান ভিত্তিক উপকরণ নেই দেবরাজ চক্রবর্তীর কাছে অন্যদিকে সাপ ধরার নেশায় পেশাগত ভাবে কোন সংস্থায় কোন কাজ টিকিয়ে রাখতে সমস্যায় পড়েন। বর্তমান সময়ে হাতে পেশাগত কোন কাজ সেভাবে না থাকায় তিনি যথেষ্ট আর্থিক সমস্যায় রয়েছেন। বন্যপ্রাণ প্রেমী ফোটোগ্রাফার তথা কুইজ কেন্দ্রের সদস্য অরিন্দম দাস মারফত, দেবরাজের এই সমস্যার কথা পৌঁছে যায় কুইজ কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে। কুইজ কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় দেবরাজের পাশে দাঁড়ানো হবে। সেইমতো শুক্রবার বিকেলে দেবরাজ চক্রবর্তীর হাতে একজোড়া অ্যান্টি বাইট গ্লাভস এবং কিছু আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন গৌতম বোস, স্নেহাশীষ চৌধুরী, সুভাষ জানা, প্রসূন কুমার পড়িয়া, আল্পনা দেবনাথ বোস, অরিন্দম দাস, নরসিংহ দাস,শবরী বসু,পায়েল পাল, সুদীপ কুমার খাঁড়া,শুভরাজ আলি খাঁন প্রমুখ।

উত্তরের সিঁড়ির মীর মদন গৌরব সম্মাননা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সর্প বন্ধু দেবরাজ চক্রবর্তীর পাশে দাঁড়ালো মেদিনীপুর কুইজ কেন্দ্র

আপডেট : ১৪ অগাস্ট ২০২০, শুক্রবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্কঃ মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা সর্পবন্ধু দেবরাজ চক্রবর্তী পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলো মেদিনীপুর কুইজ কেন্দ্র সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। মেদিনীপুর শহরের পালবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকা বন্যপ্রাণপ্রেমী যুবক দেবরাজ চক্রবর্তীর নেশাই হলো সাপ উদ্ধার করা। সারাদিনের চব্বিশ ঘন্টায় যখনই খবর পান কোথাও সাপ বেরিয়েছে, তখনই ছুটে গিয়ে সাপটিকে উদ্ধার করে তিনি জঙ্গলে ছেড়ে দেন। এতে যেমন সাপ বেঁচে যাওয়ায় একদিকে জীব বৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষা হয়, তেমনি যেখানে সাপটি বেরিয়েছিল সেখানকার বাসিন্দাদের আতঙ্কও কেটে যায়। সাপ ধরার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত বিজ্ঞান ভিত্তিক উপকরণ নেই দেবরাজ চক্রবর্তীর কাছে অন্যদিকে সাপ ধরার নেশায় পেশাগত ভাবে কোন সংস্থায় কোন কাজ টিকিয়ে রাখতে সমস্যায় পড়েন। বর্তমান সময়ে হাতে পেশাগত কোন কাজ সেভাবে না থাকায় তিনি যথেষ্ট আর্থিক সমস্যায় রয়েছেন। বন্যপ্রাণ প্রেমী ফোটোগ্রাফার তথা কুইজ কেন্দ্রের সদস্য অরিন্দম দাস মারফত, দেবরাজের এই সমস্যার কথা পৌঁছে যায় কুইজ কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে। কুইজ কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় দেবরাজের পাশে দাঁড়ানো হবে। সেইমতো শুক্রবার বিকেলে দেবরাজ চক্রবর্তীর হাতে একজোড়া অ্যান্টি বাইট গ্লাভস এবং কিছু আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন গৌতম বোস, স্নেহাশীষ চৌধুরী, সুভাষ জানা, প্রসূন কুমার পড়িয়া, আল্পনা দেবনাথ বোস, অরিন্দম দাস, নরসিংহ দাস,শবরী বসু,পায়েল পাল, সুদীপ কুমার খাঁড়া,শুভরাজ আলি খাঁন প্রমুখ।