পার্থ ঝা,ভুতনি: সকাল থেকেই মালদার মানিকচকের ভূতনি অঞ্চলের আলাদিয়া ঘোষপাড়া এলাকায় ব্যাপক নদীভাঙন শুরু হয়েছে। ফুলহর নদীর তীব্র স্রোতে একের পর এক অংশ নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেচ দপ্তরের গাফিলতির কারণেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তাদের দাবি, শুধুমাত্র বালির বস্তা ফেলে এই ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়।
এলাকাবাসীদের মতে, ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের জেরে বাঁধও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেচ দপ্তর জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করলেও তা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে মানিকচক বিধায়ক গৌড় চন্দ্র মণ্ডল জানান, গঙ্গা ভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই খড়গপুর ও কানপুর আইআইটির একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি দল এলাকা পরিদর্শন করেছে। তিনি বলেন, “আগামী দিনে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতেই গঙ্গা ভাঙন রোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেচ দপ্তর জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় কাজ করছে।
অন্যদিকে সিপিআইএম নেতা দেবজ্যোতি সিনহা বলেন, “আমরা আগেও বলেছি, শুধুমাত্র বালির বস্তা দিয়ে ভূতনির ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। স্থায়ী ও পরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।” এদিকে গঙ্গা, ফুলহর ও কোশি নদীর জলস্তর ক্রমশ বাড়তে থাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ভূতনি জুড়ে। নদীভাঙনের দাপট ও জল বৃদ্ধির ফলে দ্বিতীয় দফায় বন্যার সম্ভাবনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এলাকার মানুষ।
নতুন গতি 






















