০২ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
০২ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই মাস পরিয়ে গেলেও বিল পাঠায়নি কোচবিহার পুরসভা

নতুন গতি প্রতিবেদন, কোচবিহার: তৃণমূল আমলে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করতে ক্ষমতায় আসার দুই মাসের মধ্যে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছিল, তৃণমূল আমলে (শেষের দিকে) পুরসভার নানা কাজের বকেয়া বিল খতিয়ে দেখতে হবে পরিশোধের আগে। ৫ লক্ষ বা তার বেশি টাকার বিল মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেটে (এমইডি) পাঠাতে হবে। ইঞ্জিনিয়াররা কাজ দেখা ও গুণমান পরীক্ষার পর যে শংসাপত্র দেবেন, তার ভিত্তিতেই মেটানো হবে বকেয়া বিল মেটানো হবে।
তবে অভিযোগ, নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে প্রশাসক বসা সত্ত্বেও বকেয়া বিলের প্রায় কিছুই জমা পড়েনি। মাত্র তিনটি প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখতে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই মাস কেটে যাওয়া সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত কোনও বিল জমা না পড়ায় বকেয়া পাননি ঠিকাদাররা, যা ঘিরে উঠতে শুরু করেছে নানা প্রশ্ন। পুরসভার এক আধিকারিকের বক্তব্য, “পুরসভার কাছে টাকা নেই। তাই বিল মেটানো সম্ভব নয়। সেই জন্য সমস্ত ফাইল পাঠানো হয়নি। এমইডি ছাড়পত্র দিলে বিল মেটানোর টাকা দেবে কে?” ভোটের আগে একাধিক কাজ শুরু করা হয়েছিল কোচবিহার পুরসভার তরফ থেকে। সূত্রের খবর, কাজ করা হয় অন্তত ১ কোটি টাকার।

সিঙ্গুরে প্রাক্তন বিধায়ক মন্ত্রী ইন্দ্রনীলের ‘মোহর’-এ ইডি, গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুই মাস পরিয়ে গেলেও বিল পাঠায়নি কোচবিহার পুরসভা

আপডেট : ১ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
নতুন গতি প্রতিবেদন, কোচবিহার: তৃণমূল আমলে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করতে ক্ষমতায় আসার দুই মাসের মধ্যে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছিল, তৃণমূল আমলে (শেষের দিকে) পুরসভার নানা কাজের বকেয়া বিল খতিয়ে দেখতে হবে পরিশোধের আগে। ৫ লক্ষ বা তার বেশি টাকার বিল মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেটে (এমইডি) পাঠাতে হবে। ইঞ্জিনিয়াররা কাজ দেখা ও গুণমান পরীক্ষার পর যে শংসাপত্র দেবেন, তার ভিত্তিতেই মেটানো হবে বকেয়া বিল মেটানো হবে।
তবে অভিযোগ, নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে প্রশাসক বসা সত্ত্বেও বকেয়া বিলের প্রায় কিছুই জমা পড়েনি। মাত্র তিনটি প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখতে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই মাস কেটে যাওয়া সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত কোনও বিল জমা না পড়ায় বকেয়া পাননি ঠিকাদাররা, যা ঘিরে উঠতে শুরু করেছে নানা প্রশ্ন। পুরসভার এক আধিকারিকের বক্তব্য, “পুরসভার কাছে টাকা নেই। তাই বিল মেটানো সম্ভব নয়। সেই জন্য সমস্ত ফাইল পাঠানো হয়নি। এমইডি ছাড়পত্র দিলে বিল মেটানোর টাকা দেবে কে?” ভোটের আগে একাধিক কাজ শুরু করা হয়েছিল কোচবিহার পুরসভার তরফ থেকে। সূত্রের খবর, কাজ করা হয় অন্তত ১ কোটি টাকার।