১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

বন্দে মাতরম ভবনের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ, পরিদর্শনে বিধায়ক ও আরবান দপ্তর

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 17
চুঁচুড়া: ঐতিহাসিক ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত চুঁচুড়ার জোড়াঘাটের বন্দে মাতরম ভবন ও সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চুঁচুড়ার বিধায়কের উদ্যোগে আরবান ডেভেলপমেন্ট দপ্তর ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা মঙ্গলবার এলাকা পরিদর্শন করেন।
বন্দে মাতরম ভবনের পাশাপাশি কালিকানন্দ অবধূত ও ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলিও ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিরা। এলাকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতেই এই পরিদর্শন বলে জানা গিয়েছে।
চুঁচুড়ার বিধায়ক জানান, বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বন্দে মাতরম ভবন ও সংলগ্ন এলাকার উন্নয়ন নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একাধিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ‘বন্দে মাতরম’-এর শতবর্ষ উপলক্ষে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এদিন পরিদর্শন করা হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে সেখানে বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্যকেন্দ্র, মিউজিয়াম এবং তাঁর জীবন ও কর্মের উপর লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। ঐতিহাসিক স্থানটিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে নতুন প্রজন্ম ও দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে এর গুরুত্ব তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য বলে জানান বিধায়ক।
সর্বাধিক পাঠিত

নতুন টাইটেল স্পনসর খুঁজছে বিসিসিআই, এগিয়ে ক্যাম্পা কোলা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বন্দে মাতরম ভবনের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ, পরিদর্শনে বিধায়ক ও আরবান দপ্তর

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
চুঁচুড়া: ঐতিহাসিক ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত চুঁচুড়ার জোড়াঘাটের বন্দে মাতরম ভবন ও সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চুঁচুড়ার বিধায়কের উদ্যোগে আরবান ডেভেলপমেন্ট দপ্তর ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা মঙ্গলবার এলাকা পরিদর্শন করেন।
বন্দে মাতরম ভবনের পাশাপাশি কালিকানন্দ অবধূত ও ভূদেব মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলিও ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিরা। এলাকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতেই এই পরিদর্শন বলে জানা গিয়েছে।
চুঁচুড়ার বিধায়ক জানান, বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বন্দে মাতরম ভবন ও সংলগ্ন এলাকার উন্নয়ন নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একাধিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ‘বন্দে মাতরম’-এর শতবর্ষ উপলক্ষে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এদিন পরিদর্শন করা হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে সেখানে বঙ্কিমচন্দ্রের সাহিত্যকেন্দ্র, মিউজিয়াম এবং তাঁর জীবন ও কর্মের উপর লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। ঐতিহাসিক স্থানটিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলে নতুন প্রজন্ম ও দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে এর গুরুত্ব তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য বলে জানান বিধায়ক।