০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

‘আরটিই-র আগে টেট নয়’, হরিশ্চন্দ্রপুরে শিক্ষকদের বিক্ষোভ

সফিকুল আলম, নতুন গতি, হরিশ্চন্দ্রপুর: ‘আরটিই আইন চালুর আগে টেট নয়’ এবং ‘ইন-সার্ভিস টেট বন্ধ করো’—এই দাবিতে শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুরে পথে নামলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশ। হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান তুলে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত শিক্ষকদের নতুন করে শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা (টেট)-এর আওতায় আনার বিরোধিতা করেন আন্দোলনকারীরা।
তাঁদের দাবি, এমন সময়ে বহু শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছিলেন, যখন টেট বাধ্যতামূলক ছিল না। নিয়োগের সময় কার্যকর নিয়ম ও নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতেই তাঁরা বছরের পর বছর পরিষেবা দিয়ে আসছেন। ফলে চাকরিতে যোগদানের বহু বছর পর নতুন করে টেট পাশের শর্ত আরোপের বিষয়টি নিয়ে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শিক্ষার অধিকার আইন (আরটিই) কার্যকর হওয়ার আগে নিয়ম মেনে নিযুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে পরবর্তীকালে চালু হওয়া টেটের শর্ত প্রযোজ্য করা উচিত নয়। একইসঙ্গে ইন-সার্ভিস শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি, বেতন ও ভবিষ্যৎ পরিষেবা নিয়ে যাতে কোনও অনিশ্চয়তা তৈরি না হয়, তারও নিশ্চয়তা দাবি করা হয়।
আদালতের নির্দেশকে কেন্দ্র করে টেট নিয়ে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং রাজ্য সরকারের স্পষ্ট সিদ্ধান্তের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও পরিষেবাকে মর্যাদা দিয়ে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ করতে হবে।

দলীপ ট্রফির ফাইনাল রবিবার, ১০০তম প্রথম-শ্রেণির ম্যাচ পূর্ণ করার সময় শামীকে অভিনন্দন জানাবে সিএবি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘আরটিই-র আগে টেট নয়’, হরিশ্চন্দ্রপুরে শিক্ষকদের বিক্ষোভ

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
সফিকুল আলম, নতুন গতি, হরিশ্চন্দ্রপুর: ‘আরটিই আইন চালুর আগে টেট নয়’ এবং ‘ইন-সার্ভিস টেট বন্ধ করো’—এই দাবিতে শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুরে পথে নামলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশ। হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান তুলে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত শিক্ষকদের নতুন করে শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা (টেট)-এর আওতায় আনার বিরোধিতা করেন আন্দোলনকারীরা।
তাঁদের দাবি, এমন সময়ে বহু শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছিলেন, যখন টেট বাধ্যতামূলক ছিল না। নিয়োগের সময় কার্যকর নিয়ম ও নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতেই তাঁরা বছরের পর বছর পরিষেবা দিয়ে আসছেন। ফলে চাকরিতে যোগদানের বহু বছর পর নতুন করে টেট পাশের শর্ত আরোপের বিষয়টি নিয়ে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, শিক্ষার অধিকার আইন (আরটিই) কার্যকর হওয়ার আগে নিয়ম মেনে নিযুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে পরবর্তীকালে চালু হওয়া টেটের শর্ত প্রযোজ্য করা উচিত নয়। একইসঙ্গে ইন-সার্ভিস শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি, বেতন ও ভবিষ্যৎ পরিষেবা নিয়ে যাতে কোনও অনিশ্চয়তা তৈরি না হয়, তারও নিশ্চয়তা দাবি করা হয়।
আদালতের নির্দেশকে কেন্দ্র করে টেট নিয়ে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং রাজ্য সরকারের স্পষ্ট সিদ্ধান্তের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও পরিষেবাকে মর্যাদা দিয়ে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ করতে হবে।