১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সাগরদিঘীর অনিক ঘোষকে সম্বর্ধনা সপ্তর্ষি সাহার

রহমতুল্লাহ, সাগরদিঘী : সাগরদিঘীর বয়াড় গ্রামের অনিক ঘোষ প্রথম প্রচেষ্টায় নিট পরীক্ষায় অল ইন্ডিয়ায় ৬৭তম এবং রাজ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে এলাকায় গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে। ৬৫২ নম্বর প্রাপ্ত অনিক ICSE ও CBSE বোর্ডের অধীনে পড়াশোনা করেছে। দরিদ্র কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা অনিকের সাফল্যের পেছনে তার বাবা তুষার কান্তি ঘোষের ত্যাগ অসামান্য—চাষের জমি বিক্রি করেও তিনি ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

এই অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য প্রায়ত মন্ত্রী তথা সাগরদিঘীর বিধায়ক সুব্রত সাহার স্মৃতির উদ্দেশ্যে তার পুত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কারিগরি দপ্তরের অধীনে মুর্শিদাবাদ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির অধ্যাপক সপ্তর্ষি সাহা অনিককে সম্বর্ধনা জানায়। শনিবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক সপ্তর্ষি সাহা তার বাড়িতে গিয়ে তাকে ফুলের তোড়া এবং উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

অনিক তার এই সাফল্যের কৃতিত্ব পরিবার ও শিক্ষকদের নিয়ে বলেন, তিনি ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একজন আদর্শ ডাক্তার হয়ে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে চান। অনিকের বাবা আবেগঘন হয়ে বলেন, “অভাবের মধ্যেও ছেলেকে পড়িয়েছিলাম, আজ সে আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে।”

ফের উত্তপ্ত বীরভূমের পাঁড়ুই এলাকায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সাগরদিঘীর অনিক ঘোষকে সম্বর্ধনা সপ্তর্ষি সাহার

আপডেট : ২২ জুন ২০২৫, রবিবার

রহমতুল্লাহ, সাগরদিঘী : সাগরদিঘীর বয়াড় গ্রামের অনিক ঘোষ প্রথম প্রচেষ্টায় নিট পরীক্ষায় অল ইন্ডিয়ায় ৬৭তম এবং রাজ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে এলাকায় গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে। ৬৫২ নম্বর প্রাপ্ত অনিক ICSE ও CBSE বোর্ডের অধীনে পড়াশোনা করেছে। দরিদ্র কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা অনিকের সাফল্যের পেছনে তার বাবা তুষার কান্তি ঘোষের ত্যাগ অসামান্য—চাষের জমি বিক্রি করেও তিনি ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

এই অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য প্রায়ত মন্ত্রী তথা সাগরদিঘীর বিধায়ক সুব্রত সাহার স্মৃতির উদ্দেশ্যে তার পুত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কারিগরি দপ্তরের অধীনে মুর্শিদাবাদ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির অধ্যাপক সপ্তর্ষি সাহা অনিককে সম্বর্ধনা জানায়। শনিবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক সপ্তর্ষি সাহা তার বাড়িতে গিয়ে তাকে ফুলের তোড়া এবং উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

অনিক তার এই সাফল্যের কৃতিত্ব পরিবার ও শিক্ষকদের নিয়ে বলেন, তিনি ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একজন আদর্শ ডাক্তার হয়ে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে চান। অনিকের বাবা আবেগঘন হয়ে বলেন, “অভাবের মধ্যেও ছেলেকে পড়িয়েছিলাম, আজ সে আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছে।”