১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

মুর্শিদাবাদের সুতি থানায় মদ্যপ অবস্থায় ছেলেকে ইট দিয়ে থেতলে খুন!

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার
  • 37

নিজস্ব সংবাদদাতা : মদ্যপ অবস্থায় ছেলেকে ইট দিয়ে থেতলে খুন করার অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। বুধবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সুতি থানার লক্ষিপুর এলাকায়। মৃত ওই কিশোরের নাম রহিম শেখ (১৩)। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত বাবা শহিদুল শেখ। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে সুতি থানার পুলিশ।জানা গিয়েছে, পেশায় মাছ বিক্রেতা শহিদুল শেখ মাঝেমধ্যেই মদ্যপ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের নির্যাতন চালাতেন। অন্যান্য দিনের মতো বুধবারও সন্ধ্যা নাগাদ মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। সেই সময় বাড়িতে একাই ছিল তেরো বছরের কিশোর তথা সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রহিম শেখ। অভিযোগ, কোনও কারণ ছাড়াই নিজের ছেলেকে ইট দিয়ে এলোপাথারি মারতে থাকে শহিদুল। ছোট্ট রহিমের চিৎকার শুনে ছুটে আসে আশপাশের লোকজন। খবর পেয়ে ছুটে আসে মা সাইনারা বিবিও। গুরুতর জখম অবস্থায় রহিম শেখ নামে ওই কিশোরকে সুতি থানায় এলাকার মহিসাইল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ দিকে বাবার হাতে ছেলে খুনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয় গোটা গ্রাম জুড়ে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সুতি থানার পুলিশ। অভিযুক্ত বাবার সন্ধানে তল্লাশিও শুরু করা হয়েছে। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় বলেন, ‘‘নিহত কিশোরের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।’’

১২ বছর পর পাকিস্তানে যাবেন মোদী? ইসলামাবাদে SCO সম্মেলনে আমন্ত্রণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুর্শিদাবাদের সুতি থানায় মদ্যপ অবস্থায় ছেলেকে ইট দিয়ে থেতলে খুন!

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : মদ্যপ অবস্থায় ছেলেকে ইট দিয়ে থেতলে খুন করার অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। বুধবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সুতি থানার লক্ষিপুর এলাকায়। মৃত ওই কিশোরের নাম রহিম শেখ (১৩)। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত বাবা শহিদুল শেখ। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে সুতি থানার পুলিশ।জানা গিয়েছে, পেশায় মাছ বিক্রেতা শহিদুল শেখ মাঝেমধ্যেই মদ্যপ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের নির্যাতন চালাতেন। অন্যান্য দিনের মতো বুধবারও সন্ধ্যা নাগাদ মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। সেই সময় বাড়িতে একাই ছিল তেরো বছরের কিশোর তথা সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রহিম শেখ। অভিযোগ, কোনও কারণ ছাড়াই নিজের ছেলেকে ইট দিয়ে এলোপাথারি মারতে থাকে শহিদুল। ছোট্ট রহিমের চিৎকার শুনে ছুটে আসে আশপাশের লোকজন। খবর পেয়ে ছুটে আসে মা সাইনারা বিবিও। গুরুতর জখম অবস্থায় রহিম শেখ নামে ওই কিশোরকে সুতি থানায় এলাকার মহিসাইল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ দিকে বাবার হাতে ছেলে খুনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয় গোটা গ্রাম জুড়ে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সুতি থানার পুলিশ। অভিযুক্ত বাবার সন্ধানে তল্লাশিও শুরু করা হয়েছে। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার আনন্দ রায় বলেন, ‘‘নিহত কিশোরের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।’’