১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে উত্যক্ত করায় ছাত্রী প্রতিবাদ করায় তার উপর চড়াও হয় ছেলে এবং তার পরিবার আশংখা অবস্থায় ছাত্রী বাড়িতে

বাইজিদ মণ্ডল ডায়মন্ড হারবার:-* আলিশা খাতুন এবারের মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, নেতরা হাই মাদ্রাসার ছাত্রী। এবারারের মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার পরে ছিলো তার নবসংগ্রাম পুর তাবরোকিয়া হাই মাদ্রাসায়। প্রতিদিনের মত এদিন পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সে। সেই সময় আরিয়ান মোল্লা নামে এই স্থানীয় এক ছেলে আলিশা নামে ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও তার বান্ধবীকে রাস্তার উপর উত্তাক্ত করছিলেন। সেই সময় আলিশা প্রতিবাদ করেন এবং সেই সময় স্থানীয় এলাকায় পুলিশকর্মী কে জানায়। পুলিশ সেই আরিয়ান নামে ওই ছেলেটাকে ধরে দু এক বার মারধর করে ছেড়ে দেয়। তার পর যেজার বাড়িতে চলে যায়। হটাৎ করে দেখা যায় রাত্রি বেলায় পরছিলো আলিশা খাতুন তখন ছেলেটা তার মা ও দুই কাকী মাকে সঙ্গে নিয়ে আসে তাদের বাড়িতে এসে ছাত্রীর উপর চড়াও হয়। এতটা তাকে মারধর করেজে উস্থি থানায় গিয়ে ডায়রি করেন এবং বানেশ্বর পুর হসপিটালে ভর্তি হতে হয়। সামনে সেন্টার পরীক্ষা তাই বেশিক্ষন ভর্তি না থেকে চলে আসেন,আসংখা অবস্থায় এখন বাড়িতে আছে। তার পর খবর পেয়ে উস্থি থানার পুলিশ ওই রংবাজ ছেলে টাকে ধরতে গিয়েছিলো তার বাড়িতে না পেয়ে ফিরে আসেন। এখনো পর্যন্ত সেই ছেলেটা পলাতক, পুলিশ এখন তার খোঁজে।

ফের উত্তপ্ত বীরভূমের পাঁড়ুই এলাকায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে উত্যক্ত করায় ছাত্রী প্রতিবাদ করায় তার উপর চড়াও হয় ছেলে এবং তার পরিবার আশংখা অবস্থায় ছাত্রী বাড়িতে

আপডেট : ৫ মার্চ ২০২৩, রবিবার

বাইজিদ মণ্ডল ডায়মন্ড হারবার:-* আলিশা খাতুন এবারের মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, নেতরা হাই মাদ্রাসার ছাত্রী। এবারারের মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার পরে ছিলো তার নবসংগ্রাম পুর তাবরোকিয়া হাই মাদ্রাসায়। প্রতিদিনের মত এদিন পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সে। সেই সময় আরিয়ান মোল্লা নামে এই স্থানীয় এক ছেলে আলিশা নামে ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও তার বান্ধবীকে রাস্তার উপর উত্তাক্ত করছিলেন। সেই সময় আলিশা প্রতিবাদ করেন এবং সেই সময় স্থানীয় এলাকায় পুলিশকর্মী কে জানায়। পুলিশ সেই আরিয়ান নামে ওই ছেলেটাকে ধরে দু এক বার মারধর করে ছেড়ে দেয়। তার পর যেজার বাড়িতে চলে যায়। হটাৎ করে দেখা যায় রাত্রি বেলায় পরছিলো আলিশা খাতুন তখন ছেলেটা তার মা ও দুই কাকী মাকে সঙ্গে নিয়ে আসে তাদের বাড়িতে এসে ছাত্রীর উপর চড়াও হয়। এতটা তাকে মারধর করেজে উস্থি থানায় গিয়ে ডায়রি করেন এবং বানেশ্বর পুর হসপিটালে ভর্তি হতে হয়। সামনে সেন্টার পরীক্ষা তাই বেশিক্ষন ভর্তি না থেকে চলে আসেন,আসংখা অবস্থায় এখন বাড়িতে আছে। তার পর খবর পেয়ে উস্থি থানার পুলিশ ওই রংবাজ ছেলে টাকে ধরতে গিয়েছিলো তার বাড়িতে না পেয়ে ফিরে আসেন। এখনো পর্যন্ত সেই ছেলেটা পলাতক, পুলিশ এখন তার খোঁজে।