৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

বীরভূমের পাথরচাপুড়ি মাজার চত্বর থেকে উদ্ধার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুকন্যা

খান আরশাদ, বীরভূম: পাথুরচাপুড়ির দাতাবাবার মাজার চত্বরের বকুলতলা থেকে এক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু কন্যাকে উদ্ধার করা হল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে মাজার চত্বরের বকুলতলায় ধুলোবালির মধ্যে শিশুটিকে একা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দা রূপচাঁদ মল্লিক (যিনি কাশেদ ফকির নামে পরিচিত) প্রথম এগিয়ে আসেন। তিনি বিষয়টি দ্রুত মাজার কমিটিকে জানান, যারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়।

সিউড়ি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। রূপচাঁদ মল্লিকের স্ত্রী পরিত্যক্ত ওই শিশু কন্যাকে নিয়ে পুলিশের সাথে গিয়ে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যান এবং সেখানেই তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। রূপচাঁদ মল্লিক জানান আনুমানিক বছর চারেকের ওই শিশু কন্যাটির মাথায় ও মুখে বেশ কিছু জায়গায় ‘ঘা’ রয়েছে। শিশুটি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন হওয়ায় তাকে তার মা বা পরিবারের লোকজন মাজারে ফেলে দিয়ে গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই হৃদয়বিদারক মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে।

এভাবেও ফিরে আসা যায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বীরভূমের পাথরচাপুড়ি মাজার চত্বর থেকে উদ্ধার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুকন্যা

আপডেট : ২৮ জুন ২০২৬, রবিবার

খান আরশাদ, বীরভূম: পাথুরচাপুড়ির দাতাবাবার মাজার চত্বরের বকুলতলা থেকে এক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু কন্যাকে উদ্ধার করা হল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে মাজার চত্বরের বকুলতলায় ধুলোবালির মধ্যে শিশুটিকে একা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দা রূপচাঁদ মল্লিক (যিনি কাশেদ ফকির নামে পরিচিত) প্রথম এগিয়ে আসেন। তিনি বিষয়টি দ্রুত মাজার কমিটিকে জানান, যারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়।

সিউড়ি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। রূপচাঁদ মল্লিকের স্ত্রী পরিত্যক্ত ওই শিশু কন্যাকে নিয়ে পুলিশের সাথে গিয়ে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যান এবং সেখানেই তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। রূপচাঁদ মল্লিক জানান আনুমানিক বছর চারেকের ওই শিশু কন্যাটির মাথায় ও মুখে বেশ কিছু জায়গায় ‘ঘা’ রয়েছে। শিশুটি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন হওয়ায় তাকে তার মা বা পরিবারের লোকজন মাজারে ফেলে দিয়ে গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই হৃদয়বিদারক মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে।