৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

হাতে সংক্রমনের কারণে হাসপাতালে ভর্তি পাপিয়া অধিকারী

আনজুম মুনির, কলকাতা: বেশ কিছুদিন ধরেও ডান হাতের আঙ্গুল ফুলে গিয়ে প্রবল ব্যথা ছিল। শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে এ দিন তাঁর একটি মাইক্রো সার্জারি করা হয়। পাপিয়ার সোশাল মিডিয়াতেই বেশ হাসপাতালের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। পাপিয়া অধিকারী জানান, ডান হাতের মধ্যমায় ইনফেকশন হয়েছিল তাঁর। এই সংক্রমণের কারণে আঙুলটি মারাত্মক ফুলে গিয়েছিল। এই আঙুলের জন্য ডানহাতে কোনওরকম কাজ করতে পারছিলেন না তিনি। ডাক্তার তাঁকে জানিয়ে ছিলেন এই অবস্থায় যদি বেশিদিন আঙুলটি থাকত, তাহলে কেটে বাদ দিতে হত। এই কারণেই দ্রুত একটি মাইক্রোসার্জারি করতে হয়েছে। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলেছে।

বাঙুরের মতো সরকারি হাসপাতালের প্রশংসা করে পাপিয়া বলেন, ”আমি টালিগঞ্জের বাসিন্দা। তাই বাঙুরই আমার যাওয়াটাই সুবিধাজনক ছিল। তাছাড়াও বাঙুরের চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো। অপারেশন থিয়েটারও দারুণ। আমি যখন গিয়েছি, খুবই সচেতন ও যত্ন করে আমার চিকিৎসা করেছে। তাহলে অন্য কোথাও যাব কেন!” পাপিয়া অধিকারীর আচমকা অসুস্থতার খবরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে টলিপাড়া থেকে শুরু করে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে। তাঁর অসুস্থ হওয়ার খবরটি জানাজানি হতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বহু সতীর্থ ও অনুগামীরা।

এভাবেও ফিরে আসা যায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাতে সংক্রমনের কারণে হাসপাতালে ভর্তি পাপিয়া অধিকারী

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: বেশ কিছুদিন ধরেও ডান হাতের আঙ্গুল ফুলে গিয়ে প্রবল ব্যথা ছিল। শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে এ দিন তাঁর একটি মাইক্রো সার্জারি করা হয়। পাপিয়ার সোশাল মিডিয়াতেই বেশ হাসপাতালের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। পাপিয়া অধিকারী জানান, ডান হাতের মধ্যমায় ইনফেকশন হয়েছিল তাঁর। এই সংক্রমণের কারণে আঙুলটি মারাত্মক ফুলে গিয়েছিল। এই আঙুলের জন্য ডানহাতে কোনওরকম কাজ করতে পারছিলেন না তিনি। ডাক্তার তাঁকে জানিয়ে ছিলেন এই অবস্থায় যদি বেশিদিন আঙুলটি থাকত, তাহলে কেটে বাদ দিতে হত। এই কারণেই দ্রুত একটি মাইক্রোসার্জারি করতে হয়েছে। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলেছে।

বাঙুরের মতো সরকারি হাসপাতালের প্রশংসা করে পাপিয়া বলেন, ”আমি টালিগঞ্জের বাসিন্দা। তাই বাঙুরই আমার যাওয়াটাই সুবিধাজনক ছিল। তাছাড়াও বাঙুরের চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো। অপারেশন থিয়েটারও দারুণ। আমি যখন গিয়েছি, খুবই সচেতন ও যত্ন করে আমার চিকিৎসা করেছে। তাহলে অন্য কোথাও যাব কেন!” পাপিয়া অধিকারীর আচমকা অসুস্থতার খবরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে টলিপাড়া থেকে শুরু করে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে। তাঁর অসুস্থ হওয়ার খবরটি জানাজানি হতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বহু সতীর্থ ও অনুগামীরা।