১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

এডমিট কার্ড হীন যুবককে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা স্কুলের

শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির নীলনলীনী বিদ্যামন্দিরে পরিক্ষা দিতে এসে আডমিট কার্ড হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল শিলিগুড়ির তরাই তারাপদ হাই ইষ্কুলের ছাত্র অমিতাভ চৌধুরী।অনেক খোজার পরে সে যখন হতাশ হয়ে পড়ল তখন এগিয়ে এসে তার পরিক্ষা দেবার ব্যাবস্থা করল নীলনলীনী বিদ্যামন্দির।Xerox কপি দিয়ে পরিক্ষা দেবার ব্যাবস্থা করে দিলো ইষ্কুল।

দেশবন্ধুপাড়ার ছেলে অমিতাভ চৌধুরী এবারে মাধ্যমিক পরিক্ষা দিচ্ছে।আজ তার জীবন বিজ্ঞান পরিক্ষা।তার বাবা মা তাকে দিয়ে যাবার সময় সে জানায় সে আডমিড কার্ড খুজে পাচ্ছে না।সে এবং তার বাবা মা খুজতে থাকে আডমিড কার্ড।না পাওয়ায় যখন সে একেবারেই আশা ছেড়ে দিয়েছে পরিক্ষায় বসবার তখন এগিয়ে আসে ইষ্কুল,ইষ্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয় আপাতত সে xerox কপি দিয়ে পরিক্ষা দিতে পারবে।তবে পরবর্তিতে তাকে একটা ব্যাবস্থা করে নিতে হবে।ইষ্কুলের এই ব্যাবস্থায় খুশী ওই ছাত্রের বাবা অসিত চৌধুরী এবং মা রেখা চৌধুরী।তারা জানালেন দুবছর পরে পরিক্ষা হচ্ছে।আর এই বছর যদি তাদের ছেলে পরিক্ষা দিতে না পারত তবে তার একটা বছর নষ্ট হয়ে যেত।তাদের ছেলে পড়াশোনাতে অত্যন্ত মেধাবী।তাই আডমিড কার্ড হারিয়ে যাওয়াতে তারা অত্যন্ত মুষড়ে পড়েছিলেন।

১২ বছর পর পাকিস্তানে যাবেন মোদী? ইসলামাবাদে SCO সম্মেলনে আমন্ত্রণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এডমিট কার্ড হীন যুবককে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা স্কুলের

আপডেট : ১২ মার্চ ২০২২, শনিবার

শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির নীলনলীনী বিদ্যামন্দিরে পরিক্ষা দিতে এসে আডমিট কার্ড হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল শিলিগুড়ির তরাই তারাপদ হাই ইষ্কুলের ছাত্র অমিতাভ চৌধুরী।অনেক খোজার পরে সে যখন হতাশ হয়ে পড়ল তখন এগিয়ে এসে তার পরিক্ষা দেবার ব্যাবস্থা করল নীলনলীনী বিদ্যামন্দির।Xerox কপি দিয়ে পরিক্ষা দেবার ব্যাবস্থা করে দিলো ইষ্কুল।

দেশবন্ধুপাড়ার ছেলে অমিতাভ চৌধুরী এবারে মাধ্যমিক পরিক্ষা দিচ্ছে।আজ তার জীবন বিজ্ঞান পরিক্ষা।তার বাবা মা তাকে দিয়ে যাবার সময় সে জানায় সে আডমিড কার্ড খুজে পাচ্ছে না।সে এবং তার বাবা মা খুজতে থাকে আডমিড কার্ড।না পাওয়ায় যখন সে একেবারেই আশা ছেড়ে দিয়েছে পরিক্ষায় বসবার তখন এগিয়ে আসে ইষ্কুল,ইষ্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয় আপাতত সে xerox কপি দিয়ে পরিক্ষা দিতে পারবে।তবে পরবর্তিতে তাকে একটা ব্যাবস্থা করে নিতে হবে।ইষ্কুলের এই ব্যাবস্থায় খুশী ওই ছাত্রের বাবা অসিত চৌধুরী এবং মা রেখা চৌধুরী।তারা জানালেন দুবছর পরে পরিক্ষা হচ্ছে।আর এই বছর যদি তাদের ছেলে পরিক্ষা দিতে না পারত তবে তার একটা বছর নষ্ট হয়ে যেত।তাদের ছেলে পড়াশোনাতে অত্যন্ত মেধাবী।তাই আডমিড কার্ড হারিয়ে যাওয়াতে তারা অত্যন্ত মুষড়ে পড়েছিলেন।