১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

শিলিগুড়িতে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় করে বিপাকে ইস্কুল

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার
  • 42

নিজস্ব সংবাদদাতা : শিলিগুড়িতে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় করে বিপাকে ইস্কুল ।গত তিনদিন ধরে সারা রাজ্যের সাথে শিলিগুড়িতেও চলছে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়।একেকদিন একেক জায়গাতে ক্লাস করাচ্ছেন ইষ্কুলের দিদিমনিরা।একেক দিন একেক পাড়ায় ইষ্কুল থাকায় একদিকে যেমন অসুবিধায় পড়ে গেছেন দিদিমনিরা,কারন একেকদিন একেক পাড়াতে ইষ্কুল হওয়ায় যেমন তৈরী হচ্ছে সমস্যা তেমনি বাড়ছে দুশ্চিন্তা।দিদিমনিদের পাড়ায় শিক্ষালয় শেষ করে আবার তৈরী হতে হচ্ছে পরের দিনের জন্য । শিলিগুড়িতে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় হচ্ছে কাঞ্চনজংঘা ষ্টেডিয়াম সহ বিভিন্ন পার্কে।একদিকে কনকনে ঠান্ডা এবং বৃষ্টি অন্য দিকে অচেনা পরিবেশ সবদিক থেকেই সমস্যা তৈরী হচ্ছে।এক দিদিমনি তো বলেই ফেললেন জানি না আর কতদিন এইভাবে ইষ্কুল করাতে হবে,বাচ্চাগুলো প্রচণ্ড ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে,এইভাবে ঠান্ডা হাওয়ার মধ্যে ওরা কিভাবে পড়াশোনা করবে বুঝতে পারছি না।এ বিষয়ে প্রাইমারি শিক্ষক ইউনিয়নের এক কর্তাকে জিঞ্জাসা করা হলে তিনি জানান সরকারি নির্দেশ যেভাবে আসছে আমাদের সেইভাবে কাজ করতে হচ্ছে,আমাদের কোন উপায় নেই,সরকারী আদেশ মানতেই হবে।তবে হয়ত মার্চ থেকে ইস্কুলে ক্লাস শুরু হয়ে যাবে জানালেন তিনি।

১২ বছর পর পাকিস্তানে যাবেন মোদী? ইসলামাবাদে SCO সম্মেলনে আমন্ত্রণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিলিগুড়িতে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় করে বিপাকে ইস্কুল

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২২, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : শিলিগুড়িতে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় করে বিপাকে ইস্কুল ।গত তিনদিন ধরে সারা রাজ্যের সাথে শিলিগুড়িতেও চলছে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়।একেকদিন একেক জায়গাতে ক্লাস করাচ্ছেন ইষ্কুলের দিদিমনিরা।একেক দিন একেক পাড়ায় ইষ্কুল থাকায় একদিকে যেমন অসুবিধায় পড়ে গেছেন দিদিমনিরা,কারন একেকদিন একেক পাড়াতে ইষ্কুল হওয়ায় যেমন তৈরী হচ্ছে সমস্যা তেমনি বাড়ছে দুশ্চিন্তা।দিদিমনিদের পাড়ায় শিক্ষালয় শেষ করে আবার তৈরী হতে হচ্ছে পরের দিনের জন্য । শিলিগুড়িতে পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় হচ্ছে কাঞ্চনজংঘা ষ্টেডিয়াম সহ বিভিন্ন পার্কে।একদিকে কনকনে ঠান্ডা এবং বৃষ্টি অন্য দিকে অচেনা পরিবেশ সবদিক থেকেই সমস্যা তৈরী হচ্ছে।এক দিদিমনি তো বলেই ফেললেন জানি না আর কতদিন এইভাবে ইষ্কুল করাতে হবে,বাচ্চাগুলো প্রচণ্ড ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে,এইভাবে ঠান্ডা হাওয়ার মধ্যে ওরা কিভাবে পড়াশোনা করবে বুঝতে পারছি না।এ বিষয়ে প্রাইমারি শিক্ষক ইউনিয়নের এক কর্তাকে জিঞ্জাসা করা হলে তিনি জানান সরকারি নির্দেশ যেভাবে আসছে আমাদের সেইভাবে কাজ করতে হচ্ছে,আমাদের কোন উপায় নেই,সরকারী আদেশ মানতেই হবে।তবে হয়ত মার্চ থেকে ইস্কুলে ক্লাস শুরু হয়ে যাবে জানালেন তিনি।