১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সংকোশে নদীভাঙনের আতঙ্ক, বাড়ির দুয়ারে বিপদ!

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 12
আলিপুরদুয়ার: সংকোশ নদীর জলস্তর বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নদীভাঙন। তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই একের পর এক বিঘা উর্বর জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এবার সেই ভাঙন এগিয়ে আসছে বসতবাড়ির দিকে। ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সংকোশ বনবস্তির শতাধিক পরিবার।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত তিন দিন ধরে সংকোশ নদীর জল ক্রমাগত বাড়ছে। স্থায়ী বাঁধ না থাকায় ভাঙনের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই বহু চাষের জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের জীবিকা নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নদীর স্রোত এভাবে পাড় ভাঙতে থাকলে বসতবাড়িও বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা গ্রামবাসীদের।
গ্রামবাসীদের দাবি, সংকোশ বনবস্তিকে রক্ষা করতে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ জরুরি। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও স্থায়ী সমাধান হয়নি। আগের সরকারের আমলে বাঁধ নির্মাণের টেন্ডার হলেও কাজ শুরু হয়নি বলেও দাবি তাঁদের।
ইতিমধ্যে বাঁশ ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে নিজেরাই ভাঙন রোখার চেষ্টা করছেন বাসিন্দারা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেচ দফতরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত ভাঙন রোধের কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন। তবে গ্রামবাসীদের দাবি, আশ্বাস নয়, দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।
সর্বাধিক পাঠিত

ভাতা নয়, জিনিসের দাম কমান, বিধায়ককে মহিলাদের আর্জি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সংকোশে নদীভাঙনের আতঙ্ক, বাড়ির দুয়ারে বিপদ!

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
আলিপুরদুয়ার: সংকোশ নদীর জলস্তর বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নদীভাঙন। তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই একের পর এক বিঘা উর্বর জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এবার সেই ভাঙন এগিয়ে আসছে বসতবাড়ির দিকে। ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সংকোশ বনবস্তির শতাধিক পরিবার।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত তিন দিন ধরে সংকোশ নদীর জল ক্রমাগত বাড়ছে। স্থায়ী বাঁধ না থাকায় ভাঙনের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই বহু চাষের জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের জীবিকা নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নদীর স্রোত এভাবে পাড় ভাঙতে থাকলে বসতবাড়িও বিপদের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা গ্রামবাসীদের।
গ্রামবাসীদের দাবি, সংকোশ বনবস্তিকে রক্ষা করতে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ জরুরি। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েও স্থায়ী সমাধান হয়নি। আগের সরকারের আমলে বাঁধ নির্মাণের টেন্ডার হলেও কাজ শুরু হয়নি বলেও দাবি তাঁদের।
ইতিমধ্যে বাঁশ ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে নিজেরাই ভাঙন রোখার চেষ্টা করছেন বাসিন্দারা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেচ দফতরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত ভাঙন রোধের কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন। তবে গ্রামবাসীদের দাবি, আশ্বাস নয়, দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।