২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

নিম্নচাপে জলমগ্ন চিল্কিগড়, বিপদসীমার উপর ডুলুং

জামবনি, ঝাড়গ্রাম: দু’দিনের টানা বৃষ্টি ও নিম্নচাপের জেরে বিপর্যস্ত ঝাড়গ্রামের জামবনি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। একাধিক নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়ার পাশাপাশি ডুলুং নদীর জলস্তর বেড়ে চিল্কিগড়ের কজওয়ের উপর দিয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে জল বইছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগপথে যান চলাচল কার্যত বন্ধ। কজওয়ের দু’প্রান্তে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে পণ্যবাহী লরি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডুলুং নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে থাকায় কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল স্রোতে জল বইছে। ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে চাইছেন না সাধারণ মানুষ বা গাড়িচালকেরা। ফলে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হচ্ছে লরিগুলিকে। ব্যাহত হচ্ছে পণ্য পরিবহণও।
তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে। চিল্কিগড় হাসপাতাল থেকে কোনও রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হলে সরাসরি কজওয়ে পার হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ঘুরপথে রোগীদের নিয়ে যেতে হচ্ছে। এতে বাড়ছে যাত্রার দূরত্ব ও সময়। গুরুতর রোগীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে পরিবারগুলি।
স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা ও অতিবৃষ্টিতে চিল্কিগড়ের কজওয়ে বারবার জলমগ্ন হয়। তবে এবার নিম্নচাপের জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বৃষ্টি বাড়লে নদীর জল আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। দ্রুত জল কমে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় চিল্কিগড় ও জামবনির বাসিন্দারা।

বন্ধ পাঠশালা, মুখ শুকনো কাঞ্চনদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নিম্নচাপে জলমগ্ন চিল্কিগড়, বিপদসীমার উপর ডুলুং

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
জামবনি, ঝাড়গ্রাম: দু’দিনের টানা বৃষ্টি ও নিম্নচাপের জেরে বিপর্যস্ত ঝাড়গ্রামের জামবনি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। একাধিক নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়ার পাশাপাশি ডুলুং নদীর জলস্তর বেড়ে চিল্কিগড়ের কজওয়ের উপর দিয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে জল বইছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগপথে যান চলাচল কার্যত বন্ধ। কজওয়ের দু’প্রান্তে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে পণ্যবাহী লরি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডুলুং নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে থাকায় কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল স্রোতে জল বইছে। ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে চাইছেন না সাধারণ মানুষ বা গাড়িচালকেরা। ফলে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হচ্ছে লরিগুলিকে। ব্যাহত হচ্ছে পণ্য পরিবহণও।
তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে। চিল্কিগড় হাসপাতাল থেকে কোনও রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হলে সরাসরি কজওয়ে পার হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ঘুরপথে রোগীদের নিয়ে যেতে হচ্ছে। এতে বাড়ছে যাত্রার দূরত্ব ও সময়। গুরুতর রোগীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে পরিবারগুলি।
স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা ও অতিবৃষ্টিতে চিল্কিগড়ের কজওয়ে বারবার জলমগ্ন হয়। তবে এবার নিম্নচাপের জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বৃষ্টি বাড়লে নদীর জল আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। দ্রুত জল কমে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় চিল্কিগড় ও জামবনির বাসিন্দারা।