০২ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
০২ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির! বাংলাতে তৈরি হবে বিশালাকার হনুমান মূর্তি

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: হনুমান জয়ন্তীতে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। শিমলা, গুজরাটের পর বাংলাতেও তৈরি হবে বিশালাকার হনুমান মূর্তি।

শনিবার গুজরাটের মোরভিতে ১০৮ ফুট উঁচু হনুমান মূর্তির উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভাতেই তিনি বলেন “দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের হনুমানজির মূর্তি স্থাপন করা হচ্ছে। শিমলাতে কয়েক বছর আগেই হনুমানজির বিরাট মূর্তি তৈরি হয়েছে। আজ মোরভিতে হনুমানজির বিরাট মন্দির স্থাপন করা হল। আমাকে বলা হয়ছে আগামী দিনে দেশের আরও দুই প্রান্তে এই ধরনের মূর্তি তৈরি হবে। এরপর রামেশ্বরম এবং পশ্চিমবঙ্গে হনুমানজির মূর্তি তৈরি হবে।”

তিনি আরো বলেন “এটা শুধু হনুমান মন্দিরে স্থাপনা নয়, এটা ‘এক ভারত-শ্রেষ্ঠ ভারত’ তৈরির সংকল্পেরও স্থাপনা। ‘এক ভারত-শ্রেষ্ঠ ভারত’ আদর্শের একটি অন্যতম সূত্র হনুমানজি। ভাষা, জাতি নির্বিশেষে গোটা দেশে রামকথার আয়োজন করা হয়। রামকথার ভাবনা সবার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করেন। এটাই আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের বিশ্বাসের, আমাদের ঐতিহ্য আমাদের আধ্যাত্মিকতার শক্তি।”

সর্বাধিক পাঠিত

নিট কেলেঙ্কারি কাণ্ডে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বারুইপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এসপি অফিসে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির! বাংলাতে তৈরি হবে বিশালাকার হনুমান মূর্তি

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: হনুমান জয়ন্তীতে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। শিমলা, গুজরাটের পর বাংলাতেও তৈরি হবে বিশালাকার হনুমান মূর্তি।

শনিবার গুজরাটের মোরভিতে ১০৮ ফুট উঁচু হনুমান মূর্তির উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভাতেই তিনি বলেন “দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের হনুমানজির মূর্তি স্থাপন করা হচ্ছে। শিমলাতে কয়েক বছর আগেই হনুমানজির বিরাট মূর্তি তৈরি হয়েছে। আজ মোরভিতে হনুমানজির বিরাট মন্দির স্থাপন করা হল। আমাকে বলা হয়ছে আগামী দিনে দেশের আরও দুই প্রান্তে এই ধরনের মূর্তি তৈরি হবে। এরপর রামেশ্বরম এবং পশ্চিমবঙ্গে হনুমানজির মূর্তি তৈরি হবে।”

তিনি আরো বলেন “এটা শুধু হনুমান মন্দিরে স্থাপনা নয়, এটা ‘এক ভারত-শ্রেষ্ঠ ভারত’ তৈরির সংকল্পেরও স্থাপনা। ‘এক ভারত-শ্রেষ্ঠ ভারত’ আদর্শের একটি অন্যতম সূত্র হনুমানজি। ভাষা, জাতি নির্বিশেষে গোটা দেশে রামকথার আয়োজন করা হয়। রামকথার ভাবনা সবার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করেন। এটাই আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের বিশ্বাসের, আমাদের ঐতিহ্য আমাদের আধ্যাত্মিকতার শক্তি।”