১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

বর্ধমানের স্কুলে কন্যাশ্রীর মেয়েরা শারদীয়া কে আহ্বান জানালো।

লুতুব আলি, বর্ধমান, নতুন গতি : বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসব দুর্গাপূজো। দূর্গা পূজার প্রাক্কালে বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দিননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি অনুষ্ঠান হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এই বিদ্যালয়ের কন্যাশ্রীর মেয়েরা তাদের পারফর্ম দেখিয়ে সকলের নজর কাড়ে। কন্যাশ্রীর মেয়েরা একটি নৃত্যনাট্য প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানের মূল থিম ছিল মহিষাসুরমর্দিনী। বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকারা এই মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। কন্যাশ্রী সোনালী সিট শারদীয়ার সংগীত পরিবেশন করে প্রশংসিত হয়। দুর্গা স্তোত্র কবিতাকারে পাঠ করে সুরোজ কুড়ি। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সৌমেন লাহা ভাষ্য পাঠ করেন। শিক্ষক অমল সাহা মহালয়ার স্তত্রপাঠ ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী তথা শিক্ষারত্নপ্রাপক ও জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ সাধনে পঠন-পাঠনের সঙ্গে সঙ্গে সাংস্কৃতিক চর্চা ও আবশ্যিক। এই ধরনের সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশ সমস্ত বিদ্যালয়ে হওয়া উচিত। পূজা বকাশের আগে বিদ্যালয়ের বর্ণময় অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণ সমাজের কমিউনিটির মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

১২ বছর পর পাকিস্তানে যাবেন মোদী? ইসলামাবাদে SCO সম্মেলনে আমন্ত্রণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বর্ধমানের স্কুলে কন্যাশ্রীর মেয়েরা শারদীয়া কে আহ্বান জানালো।

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২৩, মঙ্গলবার

লুতুব আলি, বর্ধমান, নতুন গতি : বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসব দুর্গাপূজো। দূর্গা পূজার প্রাক্কালে বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দিননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি অনুষ্ঠান হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এই বিদ্যালয়ের কন্যাশ্রীর মেয়েরা তাদের পারফর্ম দেখিয়ে সকলের নজর কাড়ে। কন্যাশ্রীর মেয়েরা একটি নৃত্যনাট্য প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানের মূল থিম ছিল মহিষাসুরমর্দিনী। বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকারা এই মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। কন্যাশ্রী সোনালী সিট শারদীয়ার সংগীত পরিবেশন করে প্রশংসিত হয়। দুর্গা স্তোত্র কবিতাকারে পাঠ করে সুরোজ কুড়ি। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সৌমেন লাহা ভাষ্য পাঠ করেন। শিক্ষক অমল সাহা মহালয়ার স্তত্রপাঠ ও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী তথা শিক্ষারত্নপ্রাপক ও জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ সাধনে পঠন-পাঠনের সঙ্গে সঙ্গে সাংস্কৃতিক চর্চা ও আবশ্যিক। এই ধরনের সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশ সমস্ত বিদ্যালয়ে হওয়া উচিত। পূজা বকাশের আগে বিদ্যালয়ের বর্ণময় অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণ সমাজের কমিউনিটির মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।