০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

ব্যাংকের এটিএম জাল নোট, ক্যাশ গাড়ি আটকালো স্থানীয়রা

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৯ জানুয়ারী ২০২৩, বৃহস্পতিবার
  • 26

আজিজুর রহমান : গলসির পুরসাতে ব্যাংক লাগোয়া এটিএম থেকে বের হল জাল নোট। যার জেরে ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ব্যাংক থেকে সহযোগিতা না মেলায় আটকে রাখা হল এটিএমে টাকা ভরতে আসা ক্যাস গাড়ি। জানতে পারা গিয়েছে, এদিন দুপুর নাগাদ পুরসার এসবিআই এটিএম থেকে টাকা তুলতে আসেন গলসির ভাসাপুরের বাসিন্দা মোবারক হোসেন। তিনি এক হাজার টাকা তুললেই এটিএম থেকে একটি জাল নোট বের হয় বলে দাবী তার। তারপরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে যান। তবে সেখান থেকে কোন সুরাহা পাননি বলে জানান তিনি। এরমধ্যেই টাকা ভরার গাড়ি এটিএমে এলে তাদের টাকা ভরতে বাধা দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। বেশকিছু গ্রামবাসীর দাবী, যারা এটিএমে টাকা ভরছেন তারাই ওই জাল নোটের সাথে জড়িত। বাইরের সাধারণ গ্রাহক কিভাবে এটিএমে জাল নোট ঢোকাবে। এতে জড়িত আছে ব্যাংকের বা ক্যাস গাড়ির লোকেরাই। তাছাড়াও এটিএম মেশিনে আরও জাল নোট থাকার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাদের আরও দাবী, ম্যানেজারের নির্দেশে গাড়ি থেকে ও ব্যাংক থেকে টাকা ঢোকানো হয় এটিএম মেশিনে। তখন এটিএমের স্যাটার বন্ধ রাখা হয়। জাল নোটের ঘটনা ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ওই বিষয়ে ব্যাংকের ম্যানেজারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কিছু বলতে চাননি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সর্বাধিক পাঠিত

আদিবাসীদের ‘ভেড়চাল’ মন্তব্যের প্রতিবাদ; বীরভূমের বিভিন্ন থানায় বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ব্যাংকের এটিএম জাল নোট, ক্যাশ গাড়ি আটকালো স্থানীয়রা

আপডেট : ১৯ জানুয়ারী ২০২৩, বৃহস্পতিবার

আজিজুর রহমান : গলসির পুরসাতে ব্যাংক লাগোয়া এটিএম থেকে বের হল জাল নোট। যার জেরে ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ব্যাংক থেকে সহযোগিতা না মেলায় আটকে রাখা হল এটিএমে টাকা ভরতে আসা ক্যাস গাড়ি। জানতে পারা গিয়েছে, এদিন দুপুর নাগাদ পুরসার এসবিআই এটিএম থেকে টাকা তুলতে আসেন গলসির ভাসাপুরের বাসিন্দা মোবারক হোসেন। তিনি এক হাজার টাকা তুললেই এটিএম থেকে একটি জাল নোট বের হয় বলে দাবী তার। তারপরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে যান। তবে সেখান থেকে কোন সুরাহা পাননি বলে জানান তিনি। এরমধ্যেই টাকা ভরার গাড়ি এটিএমে এলে তাদের টাকা ভরতে বাধা দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। বেশকিছু গ্রামবাসীর দাবী, যারা এটিএমে টাকা ভরছেন তারাই ওই জাল নোটের সাথে জড়িত। বাইরের সাধারণ গ্রাহক কিভাবে এটিএমে জাল নোট ঢোকাবে। এতে জড়িত আছে ব্যাংকের বা ক্যাস গাড়ির লোকেরাই। তাছাড়াও এটিএম মেশিনে আরও জাল নোট থাকার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাদের আরও দাবী, ম্যানেজারের নির্দেশে গাড়ি থেকে ও ব্যাংক থেকে টাকা ঢোকানো হয় এটিএম মেশিনে। তখন এটিএমের স্যাটার বন্ধ রাখা হয়। জাল নোটের ঘটনা ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ওই বিষয়ে ব্যাংকের ম্যানেজারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কিছু বলতে চাননি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।