৩০ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
৩০ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

পুরসা হাসপাতালের প্রতিষ্ঠা দিবসে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির

আজিজুর রহমান, গলসি : ১৯৮২ সালের ১১ ই অক্টোবর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল পুরসা হাসপাতাল। যা এলাকার মানু‌ষের কাছে একটি মুল্যবান সম্পদ হয়ে স্মরণীয় হয়ে আছে। সেই  স্মরণীয় দিনটিকে উৎযাপন করতে হাসপাতাল প্রাঙ্গনে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন হাসপাতালের বিএমওএইচ ফারুক হোসেন। তিনি ওই শিবির রক্তদান করার সাথে সাথে হাসপাতাল কর্মী ও এলাকার সাধারণ মানুষও রক্তদান করেন। এদিনের শিবিরে সংগৃহীত ৫০ ইউনিট রক্ত বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গেছে হাসপাতাল নির্মাণের সময় নিজের উপার্জিত অর্থ ব্যায় করে হাসপাতাল নির্মাণে সর্বোচ্চে সহযোগিতা করেছিলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুরসা গ্রামের বাসিন্দা হাজী আব্দুল জব্বর মন্ডল। এলাকার সাধারণ মানুষের কথা ভেবে জাতীয় সড়কের ধারে নিজের কমবেশি ১১ বিঘা জমি ও নগদ অর্থ দান করেছিলেন তিনি। বর্তমানে সেই হাসপাতালে এখন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বিনামূল্যে পরিসেবা পান। হাসপাতাল সুচনা হওয়ার পর থেকে কোনদিন প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হতনা। বিএমওএইচ ফারুক হোসেন এই হাসপাতালে যোগ দেবার পরই সকলকে সাথে নিয়ে দিনটিকে উদযাপন করা শুরু করেন। এদিনের শিবিরে হাজী আব্দুল জব্বর মন্ডলের পরিবার সদস্যদের সম্মানিত করা হয়।

জাঙ্গিপাড়া থানার ‘ফিরে পাওয়া’ অনুষ্ঠানে ৫০টি মোবাইল ও ১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা ফেরত*

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুরসা হাসপাতালের প্রতিষ্ঠা দিবসে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২২, বুধবার

আজিজুর রহমান, গলসি : ১৯৮২ সালের ১১ ই অক্টোবর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল পুরসা হাসপাতাল। যা এলাকার মানু‌ষের কাছে একটি মুল্যবান সম্পদ হয়ে স্মরণীয় হয়ে আছে। সেই  স্মরণীয় দিনটিকে উৎযাপন করতে হাসপাতাল প্রাঙ্গনে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করলেন হাসপাতালের বিএমওএইচ ফারুক হোসেন। তিনি ওই শিবির রক্তদান করার সাথে সাথে হাসপাতাল কর্মী ও এলাকার সাধারণ মানুষও রক্তদান করেন। এদিনের শিবিরে সংগৃহীত ৫০ ইউনিট রক্ত বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গেছে হাসপাতাল নির্মাণের সময় নিজের উপার্জিত অর্থ ব্যায় করে হাসপাতাল নির্মাণে সর্বোচ্চে সহযোগিতা করেছিলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুরসা গ্রামের বাসিন্দা হাজী আব্দুল জব্বর মন্ডল। এলাকার সাধারণ মানুষের কথা ভেবে জাতীয় সড়কের ধারে নিজের কমবেশি ১১ বিঘা জমি ও নগদ অর্থ দান করেছিলেন তিনি। বর্তমানে সেই হাসপাতালে এখন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বিনামূল্যে পরিসেবা পান। হাসপাতাল সুচনা হওয়ার পর থেকে কোনদিন প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হতনা। বিএমওএইচ ফারুক হোসেন এই হাসপাতালে যোগ দেবার পরই সকলকে সাথে নিয়ে দিনটিকে উদযাপন করা শুরু করেন। এদিনের শিবিরে হাজী আব্দুল জব্বর মন্ডলের পরিবার সদস্যদের সম্মানিত করা হয়।