০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

থ্যালাসিমিয়ামুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে ১৪০০ কিমি পথ হাঁটবেন আলমগির নাইফ হিমাংশুরা

নতুন গতি প্রতিবেদক : থ্যালাসিমিয়ামুক্ত ভারত গড়ার স্বপ্ন অনেকই দেখেন। তবে এই বিষয়ে আলমগির, নাইফ, হিমাংশুর চিন্তাভাবনা একটু আলাদাই। বৃহস্পতিবার এই তিন যুবক মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে থেকে তাঁদের পদযাত্রা শুরু করলেন। ৪৫ দিন ধরে তাঁরা বাংলা, বিহার, উত্তরপ্রদেশ হয়ে দিল্লি ইন্ডিয়া গেটে তাঁদের পদযাত্রা শেষ করবেন। তাঁদের বার্তা, রক্তের জন্য হাঁটা এবং থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষার আবশ্যিকতা।

তিন যুবকের মধ্যে আলমগির খান (২৬) বাড়ি কালিয়াচকের থানাপাড়া এলাকায়। তিনি হাসপাতাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে মাস্টার্স করছেন। দ্বিতীয়জন নাইফ হাসান (২৪) বাড়ি ইংরেজবাজারের যদুপুরে। তিনি স্নাতক পাশ করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষা দিচ্ছেন। আর তৃতীয়জন হিমাংশু শীল (২৫) বাড়ি রায়গঞ্জে। তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে কাজ করেন। তিন যুবক একাধিকবার রক্তদান করেছেন। করোনা আবহে রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সকলকে সচেতন করেছেন। এবার ১৪০০ কিমি পায়ে হেঁটে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে রক্তদানে উৎসাহিত করার লক্ষ্য নিয়েছেন।

১২ বছর পর পাকিস্তানে যাবেন মোদী? ইসলামাবাদে SCO সম্মেলনে আমন্ত্রণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

থ্যালাসিমিয়ামুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে ১৪০০ কিমি পথ হাঁটবেন আলমগির নাইফ হিমাংশুরা

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২২, শুক্রবার

নতুন গতি প্রতিবেদক : থ্যালাসিমিয়ামুক্ত ভারত গড়ার স্বপ্ন অনেকই দেখেন। তবে এই বিষয়ে আলমগির, নাইফ, হিমাংশুর চিন্তাভাবনা একটু আলাদাই। বৃহস্পতিবার এই তিন যুবক মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে থেকে তাঁদের পদযাত্রা শুরু করলেন। ৪৫ দিন ধরে তাঁরা বাংলা, বিহার, উত্তরপ্রদেশ হয়ে দিল্লি ইন্ডিয়া গেটে তাঁদের পদযাত্রা শেষ করবেন। তাঁদের বার্তা, রক্তের জন্য হাঁটা এবং থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষার আবশ্যিকতা।

তিন যুবকের মধ্যে আলমগির খান (২৬) বাড়ি কালিয়াচকের থানাপাড়া এলাকায়। তিনি হাসপাতাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিয়ে মাস্টার্স করছেন। দ্বিতীয়জন নাইফ হাসান (২৪) বাড়ি ইংরেজবাজারের যদুপুরে। তিনি স্নাতক পাশ করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষা দিচ্ছেন। আর তৃতীয়জন হিমাংশু শীল (২৫) বাড়ি রায়গঞ্জে। তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে কাজ করেন। তিন যুবক একাধিকবার রক্তদান করেছেন। করোনা আবহে রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সকলকে সচেতন করেছেন। এবার ১৪০০ কিমি পায়ে হেঁটে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে রক্তদানে উৎসাহিত করার লক্ষ্য নিয়েছেন।