১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

সিটি বুকিং অফিস পরিদর্শন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষের,

শিলিগুড়ি: সিটি বুকিং অফিস পরিদর্শন করলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। সিটি বুকিং অফিস শিলিগুড়ির একটি পুরনো দপ্তর যেখানে নানান জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ টিকিট বুকিং করে থাকেন। তবে এই অনলাইনের যুগে প্রায় অধিকাংশ মানুষই এখন অনলাইন টিকিট বুক করে থাকে। ফলে এই সিটি বুকিং অফিস এখন প্রায় ফাঁকা। যার জন্য এখানে আগের তুলনায় টিকিট বুকিং কাউন্টারের সংখ্যা অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে যারা এখনও অনলাইনের যুগের সাথে পায়ে পা মেলাতে পারেনি তারা এই অফিসে আসলে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ করোনা পরিস্থিতির জন্য রেল দপ্তর সিদ্ধান্ত নেয় যে, একটি কাউন্টার দিয়েই চলবে টিকিট বুকিং এর কাজ। ফলে বর্তমানে পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি ঘটেলেও দীর্ঘ লাইনের কারণ করোনাতে দীর্ঘ লাইনের জন্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। তাই মঙ্গলবার সিটি বুকিং অফিস পরিদর্শনে আসেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ।

এদিন শংকর ঘোষ এই দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে আর্জি জানান যেনো শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধানের জন্য। সেইসঙ্গে আরও একটি টিকিট কাউন্টার খোলার সুব্যবস্থা করার জন্য বলেন। পাশাপাশি বিধায়ক জানান, এই বিষয়টি নিয়ে রেলের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আজই চিঠি মারফত দাবি জানাবেন তিনি।তিনি আরো জানান এর ফলে সমস্যায় পড়েছে বাইরে থেকে আসা যাত্রীরা,একে বাইরে থেকে আসছেন তারা তার উপরে টিকিট কাউন্টার বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়ছেন তারা।ফলে একে তাদের টাকা খরচ হচ্ছে অন্যদিকে তাদের কাজ তারা করতে পারছেন না ঠিকমত।তাই আজ তিনি এই ব্যাপারটা নিয়ে রেল কতৃপক্ষকে জানাবেন বলে জানান।

বকেয়া টাকার দাবিতে ঠিকাদারদের বিক্ষোভ, উত্তেজনা মোথাবাড়িতে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সিটি বুকিং অফিস পরিদর্শন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষের,

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

শিলিগুড়ি: সিটি বুকিং অফিস পরিদর্শন করলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। সিটি বুকিং অফিস শিলিগুড়ির একটি পুরনো দপ্তর যেখানে নানান জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ টিকিট বুকিং করে থাকেন। তবে এই অনলাইনের যুগে প্রায় অধিকাংশ মানুষই এখন অনলাইন টিকিট বুক করে থাকে। ফলে এই সিটি বুকিং অফিস এখন প্রায় ফাঁকা। যার জন্য এখানে আগের তুলনায় টিকিট বুকিং কাউন্টারের সংখ্যা অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে যারা এখনও অনলাইনের যুগের সাথে পায়ে পা মেলাতে পারেনি তারা এই অফিসে আসলে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ করোনা পরিস্থিতির জন্য রেল দপ্তর সিদ্ধান্ত নেয় যে, একটি কাউন্টার দিয়েই চলবে টিকিট বুকিং এর কাজ। ফলে বর্তমানে পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি ঘটেলেও দীর্ঘ লাইনের কারণ করোনাতে দীর্ঘ লাইনের জন্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। তাই মঙ্গলবার সিটি বুকিং অফিস পরিদর্শনে আসেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ।

এদিন শংকর ঘোষ এই দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে আর্জি জানান যেনো শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধানের জন্য। সেইসঙ্গে আরও একটি টিকিট কাউন্টার খোলার সুব্যবস্থা করার জন্য বলেন। পাশাপাশি বিধায়ক জানান, এই বিষয়টি নিয়ে রেলের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আজই চিঠি মারফত দাবি জানাবেন তিনি।তিনি আরো জানান এর ফলে সমস্যায় পড়েছে বাইরে থেকে আসা যাত্রীরা,একে বাইরে থেকে আসছেন তারা তার উপরে টিকিট কাউন্টার বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়ছেন তারা।ফলে একে তাদের টাকা খরচ হচ্ছে অন্যদিকে তাদের কাজ তারা করতে পারছেন না ঠিকমত।তাই আজ তিনি এই ব্যাপারটা নিয়ে রেল কতৃপক্ষকে জানাবেন বলে জানান।