সফিকুল আলম, নতুন গতি, মালদা: রাজ্যে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলালেও দৌলতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বহাল রইলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান, উপপ্রধান ও সঞ্চালক। প্রধান মাধবী দাসের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটিতে বিরোধী গোষ্ঠীর সদস্যরা উপস্থিত না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত অনাস্থা প্রক্রিয়া এগোল না।
বুধবার হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের দৌলতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থা ভোট ঘিরে সকাল থেকেই ছিল প্রশাসনিক তৎপরতা। পঞ্চায়েত চত্বরে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের আধিকারিকরাও। তবে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
পঞ্চায়েত সূত্রে জানা যায়, মোট ২৩টি আসনের মধ্যে প্রধান মাধবী দাসের দাবি, তাঁর পক্ষে রয়েছেন ১৩ জন সদস্য। নির্ধারিত সময়ে ঋতব্রতপন্থী সদস্যরা ভোটে উপস্থিত না হওয়ায় প্রধান-সহ তাঁর গোষ্ঠীর নেতৃত্ব পদে বহাল থাকে।
মাধবী দাস বলেন, “আমার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছিল। কিন্তু ঋতব্রতপন্থী সদস্যরা ভোটে আসেননি। ফলে আমরা পদে বহাল রয়েছি।”
উপপ্রধান ফারুক আলম ও সঞ্চালক মফিজউদ্দিনও জানান, পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ আগের মতোই চলবে।
অন্যদিকে, ঋতব্রতপন্থী সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, “ভুল বোঝাবুঝির কারণে অনাস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলাম। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে ভোটে যাইনি। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই থাকব।”
নতুন গতি 




















