১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

জলের ওপর ইঁট পেতে স্কুলে যাতায়াত, জল-যন্ত্রণায় বেহাল চন্দ্রকোনার প্রাথমিক স্কুল

চন্দ্রকোনা: ক্লাসরুম থেকে অফিসঘর—সর্বত্র থইথই জল। জলের উপর ইঁট পেতে চলছে যাতায়াত। এমনকী থালা দিয়ে জল ছেঁচে ফেলতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষককে। বছরের পর বছর বর্ষায় এমনই দুর্ভোগের ছবি পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা-১ ব্লকের নিচন্যা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষার সময় প্রায় পাঁচ-ছয় মাস স্কুলের দুটি ক্লাসরুম জলমগ্ন থাকে। ফলে বাধ্য হয়ে ঘর দু’টি বন্ধ রাখতে হয়েছে। বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৫৮ জন পড়ুয়াকে একটি মাত্র ক্লাসরুমে তিন শিক্ষক মিলে পড়াচ্ছেন। এতে ব্যাহত হচ্ছে পঠনপাঠন।
জলের কারণে বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল, অফিসের আলমারি ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও নষ্ট হচ্ছে। শুকনো ঘরের অভাবে সেগুলি সরিয়ে রাখারও উপায় নেই।
স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, গ্রামের রাস্তা উঁচু হওয়া এবং পাশের জলাশয় ভরাট হয়ে যাওয়ায় জল নিকাশি ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ। ফলে প্রতিবছর চার-পাঁচ মাস এই সমস্যা হয়। জেলা থেকে রাজ্য শিক্ষা দপ্তরে বারবার আবেদন জানিয়েও মেলেনি প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ।
বিষয়টি স্বীকার করেছেন চন্দ্রকোনা-১ ব্লকের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক কৌশিক ঘোষ। তিনি জানান, বিষয়টি জেলা শিক্ষা দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্য শিক্ষা দপ্তরকে জানানো হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
আট বছর ধরে চলা এই জল-দুর্ভোগ কবে কাটবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা, পড়ুয়া ও অভিভাবকরা।

ফের উত্তপ্ত বীরভূমের পাঁড়ুই এলাকায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলের ওপর ইঁট পেতে স্কুলে যাতায়াত, জল-যন্ত্রণায় বেহাল চন্দ্রকোনার প্রাথমিক স্কুল

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
চন্দ্রকোনা: ক্লাসরুম থেকে অফিসঘর—সর্বত্র থইথই জল। জলের উপর ইঁট পেতে চলছে যাতায়াত। এমনকী থালা দিয়ে জল ছেঁচে ফেলতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষককে। বছরের পর বছর বর্ষায় এমনই দুর্ভোগের ছবি পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা-১ ব্লকের নিচন্যা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষার সময় প্রায় পাঁচ-ছয় মাস স্কুলের দুটি ক্লাসরুম জলমগ্ন থাকে। ফলে বাধ্য হয়ে ঘর দু’টি বন্ধ রাখতে হয়েছে। বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৫৮ জন পড়ুয়াকে একটি মাত্র ক্লাসরুমে তিন শিক্ষক মিলে পড়াচ্ছেন। এতে ব্যাহত হচ্ছে পঠনপাঠন।
জলের কারণে বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিল, অফিসের আলমারি ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও নষ্ট হচ্ছে। শুকনো ঘরের অভাবে সেগুলি সরিয়ে রাখারও উপায় নেই।
স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, গ্রামের রাস্তা উঁচু হওয়া এবং পাশের জলাশয় ভরাট হয়ে যাওয়ায় জল নিকাশি ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ। ফলে প্রতিবছর চার-পাঁচ মাস এই সমস্যা হয়। জেলা থেকে রাজ্য শিক্ষা দপ্তরে বারবার আবেদন জানিয়েও মেলেনি প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ।
বিষয়টি স্বীকার করেছেন চন্দ্রকোনা-১ ব্লকের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক কৌশিক ঘোষ। তিনি জানান, বিষয়টি জেলা শিক্ষা দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্য শিক্ষা দপ্তরকে জানানো হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
আট বছর ধরে চলা এই জল-দুর্ভোগ কবে কাটবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা, পড়ুয়া ও অভিভাবকরা।