১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

ধস-দুর্যোগ ঠেকাতে বাড়তি সতর্কতা উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 15
নতুন গতি প্রতিবেদন, শিলিগুড়ি: রেলপথে ধস ঠেকাতে এবার বাড়তি সতর্কতা উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের। নেওয়া হচ্ছে প্রযুক্তি সাহায্য। শুধু তাই নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এড়াতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে রেলপথ ধরে চলা পেট্রলিংয়ে। মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মার বক্তব্য, “ভূমিধসের জেরে রেল ট্র্যাক বসে গিয়ে যাতে কোনও বিপত্তি না বাধে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার পাশাপাশি পেট্রলিং আরও বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে নদী সংলগ্ন এলাকাগুলিতেও ট্র্যাকে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে।”
জানা গিয়েছে, এবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে ‘গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার’ ব্যবহার করার। ইতিমধ্যে তা ব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের একাধিক এলাকায়। রেল কর্তাদের বক্তব্য, “গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডারের দ্বারা রেল ট্র্যাকের নীচে মাটি কতটা শক্ত রয়েছে, তা বোঝা সম্ভব হবে। এছাড়া ইঁদুরের দৌরাত্ম্যে কোথাও যদি গর্ত তৈরি হয়ে থাকে, তাও এর সাহায্যে বোঝা সম্ভব হবে।”
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আওতায় কমবেশি ৪ হাজার কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আবার বয়ে গিয়েছে নদী। এই পরিস্থিতিতে ওই এলাকাগুলিতে ইঁদুরের উপদ্রবের ফলে ভূমিধসের জেরে যাতে কোনও ক্ষতি না হয় রেল ট্র্যাকে, সেদিকে নজর রাখার কাজ শুরু হয়েছে। রেল কর্তাদের বক্তব্য, রেল ট্র্যাকের নীচ থেকে আদৌ মাটি সরছে কিনা, তা যদি আগেভাগে জানা সম্ভব হয়, তাহলে দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাবে এবং এর জেরে অনেকটাই রেল পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যাবে।
সর্বাধিক পাঠিত

মহিলা এশিয়া কাপ ২০২৬ সেমিফাইনাল সূচি: ভারতের ম্যাচের সময়, ভেন্যু, স্ট্রিমিংয়ের বিবরণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ধস-দুর্যোগ ঠেকাতে বাড়তি সতর্কতা উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
নতুন গতি প্রতিবেদন, শিলিগুড়ি: রেলপথে ধস ঠেকাতে এবার বাড়তি সতর্কতা উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের। নেওয়া হচ্ছে প্রযুক্তি সাহায্য। শুধু তাই নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এড়াতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে রেলপথ ধরে চলা পেট্রলিংয়ে। মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মার বক্তব্য, “ভূমিধসের জেরে রেল ট্র্যাক বসে গিয়ে যাতে কোনও বিপত্তি না বাধে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার পাশাপাশি পেট্রলিং আরও বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে নদী সংলগ্ন এলাকাগুলিতেও ট্র্যাকে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে।”
জানা গিয়েছে, এবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে ‘গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডার’ ব্যবহার করার। ইতিমধ্যে তা ব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের একাধিক এলাকায়। রেল কর্তাদের বক্তব্য, “গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডারের দ্বারা রেল ট্র্যাকের নীচে মাটি কতটা শক্ত রয়েছে, তা বোঝা সম্ভব হবে। এছাড়া ইঁদুরের দৌরাত্ম্যে কোথাও যদি গর্ত তৈরি হয়ে থাকে, তাও এর সাহায্যে বোঝা সম্ভব হবে।”
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আওতায় কমবেশি ৪ হাজার কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আবার বয়ে গিয়েছে নদী। এই পরিস্থিতিতে ওই এলাকাগুলিতে ইঁদুরের উপদ্রবের ফলে ভূমিধসের জেরে যাতে কোনও ক্ষতি না হয় রেল ট্র্যাকে, সেদিকে নজর রাখার কাজ শুরু হয়েছে। রেল কর্তাদের বক্তব্য, রেল ট্র্যাকের নীচ থেকে আদৌ মাটি সরছে কিনা, তা যদি আগেভাগে জানা সম্ভব হয়, তাহলে দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাবে এবং এর জেরে অনেকটাই রেল পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যাবে।