২৯ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
২৯ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

রাখিতে সম্প্রীতির বার্তা মালদা জেলা কংগ্রেসের

মালদা, ২৮ আগস্ট: রাখি পরিয়ে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিল মালদা জেলা কংগ্রেস। শুক্রবার বিকেলে মালদা জেলা কংগ্রেস কার্যালয় হায়াত ভবনে দলীয় উদ্যোগে রাখি উৎসবের আয়োজন করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার বার্তা দিতেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানান কংগ্রেস নেতৃত্ব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনায় অনুপ্রাণিত রাখি উৎসবের মাধ্যমে এদিন সম্প্রীতি, সৌভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্রনাথ হালদার, জেলা কংগ্রেসের সহ-সভাপতি মোত্তাকিন আলম, কংগ্রেসের আইনজীবী সেলের সাধারণ সম্পাদক মহিবার রহমান ওরফে ফিটু, কংগ্রেস নেতা প্রণব ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও দলীয় কর্মীরা।
এদিন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা একে অপরের হাতে রাখি পরিয়ে দেন। পাশাপাশি মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সকলে। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার বার্তাই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

শাড়ির আঁচলে অভিনব রাখি, শান্তিপুরের তাঁতশিল্পীর নজরকাড়া উদ্যোগ, যাবে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাখিতে সম্প্রীতির বার্তা মালদা জেলা কংগ্রেসের

আপডেট : ২৯ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার
মালদা, ২৮ আগস্ট: রাখি পরিয়ে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা দিল মালদা জেলা কংগ্রেস। শুক্রবার বিকেলে মালদা জেলা কংগ্রেস কার্যালয় হায়াত ভবনে দলীয় উদ্যোগে রাখি উৎসবের আয়োজন করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার বার্তা দিতেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানান কংগ্রেস নেতৃত্ব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনায় অনুপ্রাণিত রাখি উৎসবের মাধ্যমে এদিন সম্প্রীতি, সৌভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্রনাথ হালদার, জেলা কংগ্রেসের সহ-সভাপতি মোত্তাকিন আলম, কংগ্রেসের আইনজীবী সেলের সাধারণ সম্পাদক মহিবার রহমান ওরফে ফিটু, কংগ্রেস নেতা প্রণব ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও দলীয় কর্মীরা।
এদিন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা একে অপরের হাতে রাখি পরিয়ে দেন। পাশাপাশি মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সকলে। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার বার্তাই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।