১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

বিক্ষুব্ধদের বিশেষ করে সংখ্যালঘু বিক্ষুব্ধদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে হুঙ্কার কল্যাণের

দেবজিৎ মুখার্জি: বিধানসভার পরে লোকসভা হাতছাড়া হয়েছে মূল তৃণমূলের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যে কয়েকজন সাংসদ এখনও আছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশিরভাগই NDAতে যোগ দেবার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন, যাঁদের মধ্যে ৪ জন সংখ্যালঘু – ইউসুফ পাঠান, সাজদা আহমেদ, আবু তাহের, খলিলুর রহমান। ‘বিক্ষুব্ধ’দের আগেই বিশ্বাসঘাতক অ্যাখ্যায়িত করেছে তৃণমূল। এবার সংখ্যালঘু সাংসদদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনিবললেন, ‘আবু তাহের, খলিলুর রহমান, তোমার নেতা কিন্তু নরেন্দ্র মোদী। মনে রেখো।’ উল্লেখ্য, সংখ্যালঘু ফ্যাক্টর বরাবরই বঙ্গীয় রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য পেয়ে এসেছে। সমালোচকদের মতে, মোদী সরকারের অধীনে সংসদে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় কোনও মুসলিম প্রতিনিধি না থাকাকে অনেকে এই ফ্যাক্টরের একটি বড় দিক হিসাবে মনে করছেন তাঁরা। সেক্ষেত্রে তৎকালীন মমতা-সরকার বরাবরই সংখ্যালঘুদের বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে ‘বিপর্যয়ের’ দিনে মমতার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে হঠাৎই NDA-তে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশে সংখ্যালঘুদের সাংসদদের নাম উল্লেখ করেই খোঁচা দিতে কসুর করেননি কল্যাণ।

তাঁদের উদ্দেশে কল্যাণ বলেন, “আমি ওঁদের প্রত্যেককে বলব বিধানসভা এলাকায় যান, যাঁদের ভোট নিয়ে এসেছিলেন, যে সব কর্মীরা লড়াই করেছিলেন আপনাদের জন্য, তাঁদের সঙ্গে মিটিং করুন। আবার গেরুয়া লোকদের নিয়ে মিটিং করবেন না।”কল্যাণের বক্তব্য, এখন যে প্রত্যেক বিক্ষুব্ধরা বলছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নাকি তাঁদের একাধিক অভিযোগ! কিন্তু কল্যাণের প্রশ্ন, “অভিযোগ কোথায় কাকে জানিয়েছিলেন? যদি অভিযোগ জানিয়ে থাকেন, তাহলে চিঠির কপি বা মেইল দেখান। আমরা তো অস্বীকার করছি, অভিযোগ জানিয়েছিলেন বলে, তাহলে প্রমাণ দেখান।” বরং কল্যাণের বক্তব্য, মহিলা সাংসদরা ‘দিদিকে’ তুষ্ট করতে বারবার বলেছেন, “মহিলা এমপিগুলোই বলেছে, দিদি কী সুন্দর তোমার শাড়ি। কী সুন্দর তোমার শাড়ির পাড়। কোনও অভিযোগ জানাইনি।”

ভাঙড় রত্ন সম্মাননা পেলেন শিক্ষক-সাহিত্যিক মহম্মদ মফিজুল ইসলাম

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিক্ষুব্ধদের বিশেষ করে সংখ্যালঘু বিক্ষুব্ধদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে হুঙ্কার কল্যাণের

আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, বুধবার

দেবজিৎ মুখার্জি: বিধানসভার পরে লোকসভা হাতছাড়া হয়েছে মূল তৃণমূলের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যে কয়েকজন সাংসদ এখনও আছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশিরভাগই NDAতে যোগ দেবার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন, যাঁদের মধ্যে ৪ জন সংখ্যালঘু – ইউসুফ পাঠান, সাজদা আহমেদ, আবু তাহের, খলিলুর রহমান। ‘বিক্ষুব্ধ’দের আগেই বিশ্বাসঘাতক অ্যাখ্যায়িত করেছে তৃণমূল। এবার সংখ্যালঘু সাংসদদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনিবললেন, ‘আবু তাহের, খলিলুর রহমান, তোমার নেতা কিন্তু নরেন্দ্র মোদী। মনে রেখো।’ উল্লেখ্য, সংখ্যালঘু ফ্যাক্টর বরাবরই বঙ্গীয় রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য পেয়ে এসেছে। সমালোচকদের মতে, মোদী সরকারের অধীনে সংসদে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় কোনও মুসলিম প্রতিনিধি না থাকাকে অনেকে এই ফ্যাক্টরের একটি বড় দিক হিসাবে মনে করছেন তাঁরা। সেক্ষেত্রে তৎকালীন মমতা-সরকার বরাবরই সংখ্যালঘুদের বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে ‘বিপর্যয়ের’ দিনে মমতার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে হঠাৎই NDA-তে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশে সংখ্যালঘুদের সাংসদদের নাম উল্লেখ করেই খোঁচা দিতে কসুর করেননি কল্যাণ।

তাঁদের উদ্দেশে কল্যাণ বলেন, “আমি ওঁদের প্রত্যেককে বলব বিধানসভা এলাকায় যান, যাঁদের ভোট নিয়ে এসেছিলেন, যে সব কর্মীরা লড়াই করেছিলেন আপনাদের জন্য, তাঁদের সঙ্গে মিটিং করুন। আবার গেরুয়া লোকদের নিয়ে মিটিং করবেন না।”কল্যাণের বক্তব্য, এখন যে প্রত্যেক বিক্ষুব্ধরা বলছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নাকি তাঁদের একাধিক অভিযোগ! কিন্তু কল্যাণের প্রশ্ন, “অভিযোগ কোথায় কাকে জানিয়েছিলেন? যদি অভিযোগ জানিয়ে থাকেন, তাহলে চিঠির কপি বা মেইল দেখান। আমরা তো অস্বীকার করছি, অভিযোগ জানিয়েছিলেন বলে, তাহলে প্রমাণ দেখান।” বরং কল্যাণের বক্তব্য, মহিলা সাংসদরা ‘দিদিকে’ তুষ্ট করতে বারবার বলেছেন, “মহিলা এমপিগুলোই বলেছে, দিদি কী সুন্দর তোমার শাড়ি। কী সুন্দর তোমার শাড়ির পাড়। কোনও অভিযোগ জানাইনি।”