২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

নবান্ন, ঋতব্রত ও চেয়ার বিতর্ক

আনজুম মুনির, কলকাতা: বিরোধী দলের স্বীকৃতি পেয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আলাদা ঘরও পেয়েছেন। তারপরেই তৈরী হয়েছে সমস্যা। ‘চেয়ার’ মানে নিছক কেদারা নয়, রাজনীতিতে ‘চেয়ার’ শব্দের অর্থ বৃহত্তর। কে কার চেয়ার নিলেন, কার চেয়ার টলমল করছে, এসব নিয়ে প্রায়শই চর্চা চলে রাজনৈতিক মহলে। বাস্তবেও সেই চেয়ার যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝা গেল বুধবারের বিধানসভায়।

শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিধানসভায় প্রবেশ করার পর, চেয়ার বদল হয় একবার। আর এবার চেয়ার বদলাতে চাইলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে চেয়ারে বসেছেন, তাতে কার্যত বসতে রাজি নন কেউই। না শুভেন্দু, না ঋতব্রত। মুখে নেত্রী হিসেবে মানতে চাইলেও, তৃণমূলের নতুন ব্লকের নেতা ঋতব্রত মমতার চেয়ারে বসেছেন শুনেই নাক সিঁটকোলেন!

বুধবার ৫৮ জন বিধায়কের সই নিয়ে স্পিকারের কাছে জমা দিয়েছেন ঋতব্রত। সেই চিঠি গৃহীত হওয়ার পর বিরোধী দলের কক্ষে প্রবেশ করার সুযোগ পেয়েছেন ওই তৃণমূল বিধায়করা। বিরোধী দলনেতার চেয়ারে বসেন ঋতব্রতও। চেয়ারে বসে তিনি জানতে পারেন, ওটা আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহার করা চেয়ার। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার বিরোধী দলনেতার ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই চেয়ারেই এদিন বসেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহারের চেয়ার জানতে পারার পরই সেটি বদলের জন্য বিধানসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীকে বলেন তিনি। ঋতব্রত চাইছেন, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের ব্যবহার করা চেয়ার দেওয়া হোক তাঁকে। উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকার গঠনের পর, ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ছিলেন বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র।

বীরভূমে কাজল শেখকে ডিম নিক্ষেপ, শহীদ দিবসের অনুষ্ঠানে উত্তেজনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নবান্ন, ঋতব্রত ও চেয়ার বিতর্ক

আপডেট : ৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: বিরোধী দলের স্বীকৃতি পেয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আলাদা ঘরও পেয়েছেন। তারপরেই তৈরী হয়েছে সমস্যা। ‘চেয়ার’ মানে নিছক কেদারা নয়, রাজনীতিতে ‘চেয়ার’ শব্দের অর্থ বৃহত্তর। কে কার চেয়ার নিলেন, কার চেয়ার টলমল করছে, এসব নিয়ে প্রায়শই চর্চা চলে রাজনৈতিক মহলে। বাস্তবেও সেই চেয়ার যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝা গেল বুধবারের বিধানসভায়।

শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিধানসভায় প্রবেশ করার পর, চেয়ার বদল হয় একবার। আর এবার চেয়ার বদলাতে চাইলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে চেয়ারে বসেছেন, তাতে কার্যত বসতে রাজি নন কেউই। না শুভেন্দু, না ঋতব্রত। মুখে নেত্রী হিসেবে মানতে চাইলেও, তৃণমূলের নতুন ব্লকের নেতা ঋতব্রত মমতার চেয়ারে বসেছেন শুনেই নাক সিঁটকোলেন!

বুধবার ৫৮ জন বিধায়কের সই নিয়ে স্পিকারের কাছে জমা দিয়েছেন ঋতব্রত। সেই চিঠি গৃহীত হওয়ার পর বিরোধী দলের কক্ষে প্রবেশ করার সুযোগ পেয়েছেন ওই তৃণমূল বিধায়করা। বিরোধী দলনেতার চেয়ারে বসেন ঋতব্রতও। চেয়ারে বসে তিনি জানতে পারেন, ওটা আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহার করা চেয়ার। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার বিরোধী দলনেতার ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই চেয়ারেই এদিন বসেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহারের চেয়ার জানতে পারার পরই সেটি বদলের জন্য বিধানসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীকে বলেন তিনি। ঋতব্রত চাইছেন, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের ব্যবহার করা চেয়ার দেওয়া হোক তাঁকে। উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকার গঠনের পর, ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ছিলেন বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র।