২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

বর্ধমানের পিরবাহারাম এলাকায় গোডাউনে হানা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার রেলের চোরাই যন্ত্রাংশ উদ্ধার করল আরপিএফ

নিজস্ব সংবাদদাতা : নামেই স্ক্র্যাপ গোডাউন। ভিতরে রেলের চোরাই যন্ত্রাংশ। শুক্রবার রাতে বর্ধমানের পিরবাহারাম এলাকায় গোডাউনে হানা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার রেলের চোরাই যন্ত্রাংশ উদ্ধার করল আরপিএফ। চোরাই মালের রিসিভার শেখ সমীর ও শেখ আমির পলাতক।

 

জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় এক মহিলা-সহ তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে আরপিএফ। অভিযোগ, চোরাই মাল আনা-নেওয়া করতো এরা। ইন্সপেক্টর আশিস কুমার সরকার জানিয়েছেন, বিভিন্ন ইয়ার্ড, রেল এলাকায় রাখা রেলের যন্ত্রাংশ, ফিস প্লেট, লাইন, নাট সহ নানা চুরির সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। রেলের সামগ্রী চুরি যাওয়ায় বহু সময় ট্রেন সময়মত ইয়ার্ড থেকে বেরোতে পারে না। বিশেষ করে মালগাড়ি। দুষ্কৃতীদের চুরি করা যন্ত্রাংশ কম দামে কিনে নেয় রিসিভাররা। এরপর চড়া দরে বিক্রি করে। রেল কর্মীদের একাংশ চুরির সঙ্গে জড়িত থাকে বলে অভিযোগ।এক্ষেত্রে তেমন কিছু আছে কি না তা আরপিএফ তদন্ত করে দেখছে। শুক্রবার গোডাউনটি ঘিরে ফেলে আরপিএফ। দু’জন মালিকের কেউই উপস্থিত ছিল না। তিন জনকে গোডাউনের ভিতরে পায় আরপিএফ, যারা চোরাই মাল এনে বিক্রি করে গোডাউনে। তাদের গ্রেফতার করার পর মালিকের সন্ধানে তাদের বাড়িতে হানা দিয়েও আরপিএফ ধরতে পারেনি। একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে আরপিএফ তল্লাশি চালাচ্ছে। পূর্ব রেলের আরপিএফের আইজি পরমশিব জানান, রেলের যন্ত্রাংশ ও সামগ্রী চুরি নিয়ন্ত্রণে কড়া আইন রয়েছে। আরপিএফ সেই আইনে গ্রেফতার করে অপরাধীদের চালান করেছে। উদ্ধার হওয়া মালের আনুমানিক দাম দেড় লক্ষ টাকা।

সাঁইথিয়ার রোঙ্গাইপুরে মাত্র ৩ দিনে জনগণনার কাজ শেষ, নজির মেহবুব আলমের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বর্ধমানের পিরবাহারাম এলাকায় গোডাউনে হানা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার রেলের চোরাই যন্ত্রাংশ উদ্ধার করল আরপিএফ

আপডেট : ২৬ অগাস্ট ২০২৩, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : নামেই স্ক্র্যাপ গোডাউন। ভিতরে রেলের চোরাই যন্ত্রাংশ। শুক্রবার রাতে বর্ধমানের পিরবাহারাম এলাকায় গোডাউনে হানা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার রেলের চোরাই যন্ত্রাংশ উদ্ধার করল আরপিএফ। চোরাই মালের রিসিভার শেখ সমীর ও শেখ আমির পলাতক।

 

জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় এক মহিলা-সহ তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে আরপিএফ। অভিযোগ, চোরাই মাল আনা-নেওয়া করতো এরা। ইন্সপেক্টর আশিস কুমার সরকার জানিয়েছেন, বিভিন্ন ইয়ার্ড, রেল এলাকায় রাখা রেলের যন্ত্রাংশ, ফিস প্লেট, লাইন, নাট সহ নানা চুরির সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। রেলের সামগ্রী চুরি যাওয়ায় বহু সময় ট্রেন সময়মত ইয়ার্ড থেকে বেরোতে পারে না। বিশেষ করে মালগাড়ি। দুষ্কৃতীদের চুরি করা যন্ত্রাংশ কম দামে কিনে নেয় রিসিভাররা। এরপর চড়া দরে বিক্রি করে। রেল কর্মীদের একাংশ চুরির সঙ্গে জড়িত থাকে বলে অভিযোগ।এক্ষেত্রে তেমন কিছু আছে কি না তা আরপিএফ তদন্ত করে দেখছে। শুক্রবার গোডাউনটি ঘিরে ফেলে আরপিএফ। দু’জন মালিকের কেউই উপস্থিত ছিল না। তিন জনকে গোডাউনের ভিতরে পায় আরপিএফ, যারা চোরাই মাল এনে বিক্রি করে গোডাউনে। তাদের গ্রেফতার করার পর মালিকের সন্ধানে তাদের বাড়িতে হানা দিয়েও আরপিএফ ধরতে পারেনি। একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে আরপিএফ তল্লাশি চালাচ্ছে। পূর্ব রেলের আরপিএফের আইজি পরমশিব জানান, রেলের যন্ত্রাংশ ও সামগ্রী চুরি নিয়ন্ত্রণে কড়া আইন রয়েছে। আরপিএফ সেই আইনে গ্রেফতার করে অপরাধীদের চালান করেছে। উদ্ধার হওয়া মালের আনুমানিক দাম দেড় লক্ষ টাকা।