৩০ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
৩০ অগাস্ট ২০২৬, রবিবার, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

সাগরদিঘী উইনার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের শিশুদিবস পালন

সংবাদদাতা : শ্রদ্ধেয় পন্ডিত জহরলাল নেহেরু বলেগিয়েছেন “শিশুরা বাগানের কুঁড়ির মত এবং তাদের যত্ন সহকারে ও ভালোবাসার সাথে লালন পালন করা উচিত, কারণ তারা জাতির ভবিষ্যৎ এবং আগামী দিনের নাগরিক । সঠিক শিক্ষার মাধ্যমেই উন্নত সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব “।

আজ ১৪ ই নভেম্বর অর্থাৎ “শিশু দিবস” আর এই শিশু দিবসকে কেন্দ্র করে সাগরদিঘী উইনার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে সাগরদিঘীর শিশু উদ্যান পার্কে আগত সকল বাচ্চাদের নিয়ে খেলাধুলার মধ্য দিয়ে ও শেষে মিষ্টিমুখ করিয়ে প্রত্যেকের হাতে একটি করে চারাগাছ বিতরণ করা হলো। ট্রাস্টের সম্পাদক সঞ্জীব দাস বলেন আজকের শিশু আগামী দিনের আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ, একজন শিশু যেমন শিক্ষা পাবে সেরকম ভাবেই আমাদের সমাজ এবং দেশ গড়ে উঠবে, তাই শিশুদের মধ্যে সামাজিকতার ভাব গড়ে তোলানোর দায়িত্ব আমাদেরই, এছাড়াও সামাজিকতার সাথে সাথে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখাটাও ঠিক ততটাই জরুরী। সে কারণেই আমরা প্রতিটি শিশুর হাতে চারাগাছ তুলে দিয়েছি যেন তারা এখন থেকেই সামাজিক এবং প্রাকৃতিক সবদিকই যেন বজায় রেখে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। “

সর্বাধিক পাঠিত

বেআইনি মদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মেমারি থেকে গ্রেফতার ৫,পেশ আদালতে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সাগরদিঘী উইনার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের শিশুদিবস পালন

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার

সংবাদদাতা : শ্রদ্ধেয় পন্ডিত জহরলাল নেহেরু বলেগিয়েছেন “শিশুরা বাগানের কুঁড়ির মত এবং তাদের যত্ন সহকারে ও ভালোবাসার সাথে লালন পালন করা উচিত, কারণ তারা জাতির ভবিষ্যৎ এবং আগামী দিনের নাগরিক । সঠিক শিক্ষার মাধ্যমেই উন্নত সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব “।

আজ ১৪ ই নভেম্বর অর্থাৎ “শিশু দিবস” আর এই শিশু দিবসকে কেন্দ্র করে সাগরদিঘী উইনার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে সাগরদিঘীর শিশু উদ্যান পার্কে আগত সকল বাচ্চাদের নিয়ে খেলাধুলার মধ্য দিয়ে ও শেষে মিষ্টিমুখ করিয়ে প্রত্যেকের হাতে একটি করে চারাগাছ বিতরণ করা হলো। ট্রাস্টের সম্পাদক সঞ্জীব দাস বলেন আজকের শিশু আগামী দিনের আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ, একজন শিশু যেমন শিক্ষা পাবে সেরকম ভাবেই আমাদের সমাজ এবং দেশ গড়ে উঠবে, তাই শিশুদের মধ্যে সামাজিকতার ভাব গড়ে তোলানোর দায়িত্ব আমাদেরই, এছাড়াও সামাজিকতার সাথে সাথে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখাটাও ঠিক ততটাই জরুরী। সে কারণেই আমরা প্রতিটি শিশুর হাতে চারাগাছ তুলে দিয়েছি যেন তারা এখন থেকেই সামাজিক এবং প্রাকৃতিক সবদিকই যেন বজায় রেখে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। “