দেবজিৎ মুখার্জি: সমস্ত মাদ্রাসায় ছেলে-মেয়েরা বন্দেমাতরম গানটি ততটা রপ্ত করেননি। তাই সাউন্ড বক্সে বাজানো হবে বন্দে মাতরম। গরমের ছুটি কাটিয়ে আজ থেকেই খুলছে স্কুল। সরকারি নির্দেশিকা মেনে আজ থেকেই স্কুলের প্রার্থনা সঙ্গীতে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে। ‘বন্দে মাতরম’ গানটি পুরো গাইতে সময় লাগে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাওয়ার সময়সীমা ৫২ সেকেন্ড। অর্থাৎ দুটি গান গইতে মোট সময় লাগবে ৪ মিনিট ২ সেকেন্ড। এছাড়াও অনেক স্কুলে ভিন্ন ভিন্ন প্রার্থনা সঙ্গীত রয়েছে। সব মিলিয়ে ১০ মিনিটের বেশি সময় লেগে যেতে পারে প্রার্থনা সঙ্গীতে।
শিক্ষকদের একাংশ বন্দে মাতরমের প্রথম দুটি স্তবক আর্জি জানালেও শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ পুরো গানটিই গাইতে হবে। ফলে প্রথম দিন থেকেই স্কুলে স্কুলে পড়ুয়াদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে বঙ্গিম আবেগে ভাসলেন শিক্ষকরাও। অনেকে শিক্ষকরাই জানিয়েছেন, গরমের ছুটিতে পড়ুয়াদের গানটি তুলে নিতে বলা হয়েছিল স্কুলের তরফে। তবে অনেক পড়ুয়াদেরই পুরো গানটা মুখস্থ হয়নি। তাই তাদের সুবিধার্থে মোবাইলে গান বাজিয়ে গলা মেলানোর ব্যবস্থা করবেন শিক্ষকরা।
প্রথম কয়েকদিন গানটি বাজিয়ে গানটি অনুশীলনের সময় দেওয়া হবে। সব ছাত্র-ছাত্রীদের মুখস্থ হয়ে গেলে তারপরে গান বাজানো বন্ধ করে দেওয়া হবে। রাজ্যের সব মাদ্রাসাতেও ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে খুলছে মাদ্রাসাগুলিও। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকদের একাংশের মতে, প্রথম দুটি পংক্তি গাওয়া কোনও অসুবিধা নেই।
নতুন গতি 




















