০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

“দলের কেউ বেআইনি কাজ বা দখলদারি করলে দল তাকে ছাড়বে না”: শমীক ভট্টাচার্য

আনজুম মুনির, কলকাতা: এই মুহূর্তে শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য দলের শেষ কথা বলছেন। তাঁদের মূল লড়াই বিজেপিকে কলুষমুক্ত রাখা। দলের পতাকা ব্যবহার করে দখলদারি, বেআইনি কর্মকাণ্ডে মদত দিলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। এই ধরনের ঘটনায় কোনও বিধায়ক বা সাংসদের নাম জড়ালেও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

রবিবার দুপুরে হাবড়ার প্রফুল্লনগরে এক দলীয় নেত্রীর পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর দাবি, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বার্তাই হল বিভাজন বা দখলদারির রাজনীতি নয়, পশ্চিমবঙ্গকে হিংসামুক্ত করা। সেই লক্ষ্যেই দল চলবে।”

রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পুলিশকে ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ তোলেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, আগে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা নিজেদের কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী সঙ্গে নিয়ে যেতেন। এই প্রসঙ্গে শমীক বলেন, “আগে কেউ কেউ দিল্লি যেতেন ৫০০ পুলিশ নিয়ে। প্রোগ্রাম করতে যেতেন ১০০ জন মহিলা পুলিশ নিয়ে। তাঁদের জন্য কোনও শৌচাগারের ব্যবস্থাও করা হত না। পুলিশরা এনিয়ে আমাদের অভিযোগ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, কিছু করুন, আমাদের ইস্যুগুলোকে তুলুন। এগুলো আর থাকবে না।” সোনারপুরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগকে কটাক্ষ করেন শমীক। তাঁর দাবি, “এগুলো তৃণমূলের ২৫-৭৫ ভাগের হিসেবের গন্ডগোল। যিনি অভুক্ত আছে, তাঁর অতৃপ্ত আত্মাই আজ কথা বলছে।”

ঋতব্রতকে নিশানা করতে গিয়ে সিপিএমের প্রশংসা মমতার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“দলের কেউ বেআইনি কাজ বা দখলদারি করলে দল তাকে ছাড়বে না”: শমীক ভট্টাচার্য

আপডেট : ১ জুন ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: এই মুহূর্তে শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য দলের শেষ কথা বলছেন। তাঁদের মূল লড়াই বিজেপিকে কলুষমুক্ত রাখা। দলের পতাকা ব্যবহার করে দখলদারি, বেআইনি কর্মকাণ্ডে মদত দিলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। এই ধরনের ঘটনায় কোনও বিধায়ক বা সাংসদের নাম জড়ালেও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

রবিবার দুপুরে হাবড়ার প্রফুল্লনগরে এক দলীয় নেত্রীর পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর দাবি, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বার্তাই হল বিভাজন বা দখলদারির রাজনীতি নয়, পশ্চিমবঙ্গকে হিংসামুক্ত করা। সেই লক্ষ্যেই দল চলবে।”

রাজ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পুলিশকে ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ তোলেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, আগে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা নিজেদের কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী সঙ্গে নিয়ে যেতেন। এই প্রসঙ্গে শমীক বলেন, “আগে কেউ কেউ দিল্লি যেতেন ৫০০ পুলিশ নিয়ে। প্রোগ্রাম করতে যেতেন ১০০ জন মহিলা পুলিশ নিয়ে। তাঁদের জন্য কোনও শৌচাগারের ব্যবস্থাও করা হত না। পুলিশরা এনিয়ে আমাদের অভিযোগ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, কিছু করুন, আমাদের ইস্যুগুলোকে তুলুন। এগুলো আর থাকবে না।” সোনারপুরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগকে কটাক্ষ করেন শমীক। তাঁর দাবি, “এগুলো তৃণমূলের ২৫-৭৫ ভাগের হিসেবের গন্ডগোল। যিনি অভুক্ত আছে, তাঁর অতৃপ্ত আত্মাই আজ কথা বলছে।”