নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই নিম্নচাপের ফলে বাংলা জুড়ে প্রবল বৃষ্টি। দিকে দিকে নদীগুলোর জলসীমা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্ষণমুখর রাত দেখল কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃষ্টির সতর্কবার্তা (Rain Alert) জারি করা হয়েছিল আগেই। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বেশ বোঝা গেল বৃষ্টির দাপট। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। তারপর কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে রাতভর মুষলধারায় বৃষ্টি চলতে থাকে। কলকাতা ও লাগোয়া জেলায় বৃষ্টির প্রবল দাপট জারি আছে সকালেও। এখানেই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। মৌসুমী অক্ষরেখার প্রভাবে আরও বৃষ্টির ইঙ্গিত দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। আজ, শুক্রবার সারাদিনই কলকাতা সহ দক্ষিণের তিন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমানে। শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায়। শুধুমাত্র দক্ষিণে নয়, উত্তরবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি চলছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামেও।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো বাতাস। কিছু কিছু জায়গায় জল জমতে শুরু করেছে। বড় মাপের জল জমার খবর এখনই নেই, তবে সকাল থেকেই বৃষ্টিতে শহরে যান চলাচলের গতি ধীর। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম, সেক্টর ৫ মেট্রোর মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় জমেছে জল। উপকূলবর্তী এলাকাগুলোর জন্য রয়েছে বিশেষ সতর্কবার্তা। ১২ই জুলাই পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। মাইকিং করে সতর্ক করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দা ও মৎস্যজীবীদের নিরাপদ স্থানে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। দিঘার সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। তৈরি হতে পারে জলোচ্ছ্বাস। সমুদ্র ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি সহ উপকূল মাইকিং করা হচ্ছে। ফুঁসছে অজয়, সুবর্ণরেখা। সরকার সচেতন।
নতুন গতি 






















