০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০১ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মনোজ বাজপেয়ী প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন

আনজুম মুনির: নেটফ্লিক্সের আসন্ন ছবি ‘ঘুষখোর পণ্ডিত’এর নাম ঘোষণার পর থেকেই সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো ঝড় উঠেছে। নেটিজেনদের একাংশের রোষানলে পড়ে চরম হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে খোদ মনোজ বাজপেয়ীকে। শুধু কটু কথাই নয়, জুটেছে প্রাণনাশের হুমকিও। এমনকি, সাইবার দুনিয়ার এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি থেকে রেহাই পায়নি তাঁর পরিবারও।

২০২৬ সালের নতুন প্রজেক্টের তালিকা প্রকাশের সময় নেটফ্লিক্স এই বহু চর্চিত ছবির প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে এনেছিল। তারপর থেকেই শুরু হয় ঘোরতর আপত্তি। অভিযোগ ওঠে, ছবির নাম এবং বিষয়বস্তু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয় যে নির্মাতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত দায়ের করা হয়। জল গড়ায় দিল্লি হাইকোর্ট পর্যন্ত।

বিতর্কের আঁচ পেয়ে মাত্র দু’দিনের মধ্যেই জনসমক্ষে ক্ষমা চেয়ে নেন নির্মাতারা। আদালতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, ছবির নাম পরিবর্তন করে নতুন নামে তা রিলিজ করা হবে। ইতিমধ্যেই নেটফ্লিক্সের প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ছবির টিজার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই গোটা বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেতা। তিনি জানান, এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা টিমের কারও মাথাতেই আসেনি। তবে কারও যদি কোনও বিষয় নিয়ে এত তীব্র আপত্তি থাকে, সৃজনশীল মানুষ হিসেবে ভুল শুধরে নেওয়াটাই দস্তুর। তাঁর মতে, ছবির নাম বদলানোটা এমন কোনও বড় বিষয় নয়। অনায়াসেই দশটা নতুন এবং আকর্ষণীয় নাম ভেবে ফেলা যায়।

ঋতব্রতকে নিশানা করতে গিয়ে সিপিএমের প্রশংসা মমতার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মনোজ বাজপেয়ী প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন

আপডেট : ১ জুন ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনির: নেটফ্লিক্সের আসন্ন ছবি ‘ঘুষখোর পণ্ডিত’এর নাম ঘোষণার পর থেকেই সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো ঝড় উঠেছে। নেটিজেনদের একাংশের রোষানলে পড়ে চরম হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে খোদ মনোজ বাজপেয়ীকে। শুধু কটু কথাই নয়, জুটেছে প্রাণনাশের হুমকিও। এমনকি, সাইবার দুনিয়ার এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি থেকে রেহাই পায়নি তাঁর পরিবারও।

২০২৬ সালের নতুন প্রজেক্টের তালিকা প্রকাশের সময় নেটফ্লিক্স এই বহু চর্চিত ছবির প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে এনেছিল। তারপর থেকেই শুরু হয় ঘোরতর আপত্তি। অভিযোগ ওঠে, ছবির নাম এবং বিষয়বস্তু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয় যে নির্মাতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর পর্যন্ত দায়ের করা হয়। জল গড়ায় দিল্লি হাইকোর্ট পর্যন্ত।

বিতর্কের আঁচ পেয়ে মাত্র দু’দিনের মধ্যেই জনসমক্ষে ক্ষমা চেয়ে নেন নির্মাতারা। আদালতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, ছবির নাম পরিবর্তন করে নতুন নামে তা রিলিজ করা হবে। ইতিমধ্যেই নেটফ্লিক্সের প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ছবির টিজার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই গোটা বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেতা। তিনি জানান, এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা টিমের কারও মাথাতেই আসেনি। তবে কারও যদি কোনও বিষয় নিয়ে এত তীব্র আপত্তি থাকে, সৃজনশীল মানুষ হিসেবে ভুল শুধরে নেওয়াটাই দস্তুর। তাঁর মতে, ছবির নাম বদলানোটা এমন কোনও বড় বিষয় নয়। অনায়াসেই দশটা নতুন এবং আকর্ষণীয় নাম ভেবে ফেলা যায়।