১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

নাতনিকে কই মাছ দিয়ে খেলা দেখাতে গিয়ে শ্বাসনালীতে মাছ আটকে গিয়ে মৃত্যু হয় ব্যক্তির

নিজস্ব সংবাদদাতা : নিজের নাতনিকে খেলা দেখাচ্ছিলেন কই মাছ দিয়ে। খেলা দেখাতে গিয়ে গলায় আটকে যায় সেই কই মাছ। শ্বাসনালীতে মাছ আটকে গিয়ে মৃত্যু হয় ব্যক্তির। বুধবার দুপুরে খানাকুল থানার নতিবপুর গ্রামে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পুকুরের ধারে নাতনিকে খেলা দেখাতে গিয়ে শ্বাসনালীতে কই মাছ আটকে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির।। মৃতের নাম রতিকান্ত ভুঁইয়া (৪৫)। এদিন Arambag হাসপাতালে ওই ব্যক্তির ময়নাতদন্ত করা হয়।রতিকান্তর ভাই শ্রীকান্ত জানান, “অনেক চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারিনি দাদাকে। মাছটি দাদার গলার ভেতর অবধি ঢুকে গিয়েছিল। শুধু লেজটি বের হয়ে ছিল। নতিবপুর হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে তাঁকে শুয়ে চিমটা দিয়ে লেজ ধরে টানতে গেলে শ্বাসনালী চিরে যেতে থাকে। দাদার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে। তখনই দাদাকে ওই হাসপাতাল থেকে কলকাতার PG Hospital-এ রেফার করা হয়। পথে অবস্থা খুব খারাপ হওয়াতে হাওড়া গাববেড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন।”

কলকাতার খুদে শিল্পীর তুলিতে বিশ্ব-শান্তির বার্তা, ছবি প্রদর্শিত রোমের কলোসিয়ামে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নাতনিকে কই মাছ দিয়ে খেলা দেখাতে গিয়ে শ্বাসনালীতে মাছ আটকে গিয়ে মৃত্যু হয় ব্যক্তির

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : নিজের নাতনিকে খেলা দেখাচ্ছিলেন কই মাছ দিয়ে। খেলা দেখাতে গিয়ে গলায় আটকে যায় সেই কই মাছ। শ্বাসনালীতে মাছ আটকে গিয়ে মৃত্যু হয় ব্যক্তির। বুধবার দুপুরে খানাকুল থানার নতিবপুর গ্রামে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পুকুরের ধারে নাতনিকে খেলা দেখাতে গিয়ে শ্বাসনালীতে কই মাছ আটকে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির।। মৃতের নাম রতিকান্ত ভুঁইয়া (৪৫)। এদিন Arambag হাসপাতালে ওই ব্যক্তির ময়নাতদন্ত করা হয়।রতিকান্তর ভাই শ্রীকান্ত জানান, “অনেক চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারিনি দাদাকে। মাছটি দাদার গলার ভেতর অবধি ঢুকে গিয়েছিল। শুধু লেজটি বের হয়ে ছিল। নতিবপুর হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে তাঁকে শুয়ে চিমটা দিয়ে লেজ ধরে টানতে গেলে শ্বাসনালী চিরে যেতে থাকে। দাদার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে। তখনই দাদাকে ওই হাসপাতাল থেকে কলকাতার PG Hospital-এ রেফার করা হয়। পথে অবস্থা খুব খারাপ হওয়াতে হাওড়া গাববেড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন।”