১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিঁধলেন যুব তৃণমূলের সভাপতি সায়নী ঘোষ, টুইটারে করলেন ব্যাঙ্গ

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিঁধলেন যুব তৃণমূলের সভাপতি সায়নী ঘোষ। গতকাল রাতে টুইটারে, হইচই প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়া সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত সিরিজ ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ পোস্টারের উপরে লেখা হয়েছে, ‘মাতঙ্গিনী এখানে কোনও আন্দোলন করতে আসেননি’। পোস্টারের ক্যাপশনে সায়নী লিখেছেন, “হোয়াটসঅ্যাপ থেকে শেয়ার করা, একটু বাংলায় ব্যঙ্গ করা!”

৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে কি বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী?

৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের স্মরণ করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ-সহ একাধিক মহিলা যোদ্ধাকে সম্মান জানান তিনি। বিভিন্ন রাজ্যের বীরাঙ্গনাদের নামের পাশাপাশি উচ্চারিত হয় তমলুকের মাতঙ্গিনী হাজরার নাম। কিন্তু তাঁকে বাংলার স্বাধীনতা যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বদলে অসমের বীরাঙ্গনা বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। এতেই তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

এমন মন্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। সোমবারই ত্রিপুরা গিয়েছেন সায়নী। তার আগেই টুইটারে প্রধানমন্ত্রীকে এই টুইটের মাধ্যমে বিঁধেছেন যুব তৃণমূলের সভাপতি।

ডিভিসিতে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু মৎসজীবির

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিঁধলেন যুব তৃণমূলের সভাপতি সায়নী ঘোষ, টুইটারে করলেন ব্যাঙ্গ

আপডেট : ১৬ অগাস্ট ২০২১, সোমবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিঁধলেন যুব তৃণমূলের সভাপতি সায়নী ঘোষ। গতকাল রাতে টুইটারে, হইচই প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়া সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত সিরিজ ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ পোস্টারের উপরে লেখা হয়েছে, ‘মাতঙ্গিনী এখানে কোনও আন্দোলন করতে আসেননি’। পোস্টারের ক্যাপশনে সায়নী লিখেছেন, “হোয়াটসঅ্যাপ থেকে শেয়ার করা, একটু বাংলায় ব্যঙ্গ করা!”

৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে কি বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী?

৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের স্মরণ করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ-সহ একাধিক মহিলা যোদ্ধাকে সম্মান জানান তিনি। বিভিন্ন রাজ্যের বীরাঙ্গনাদের নামের পাশাপাশি উচ্চারিত হয় তমলুকের মাতঙ্গিনী হাজরার নাম। কিন্তু তাঁকে বাংলার স্বাধীনতা যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বদলে অসমের বীরাঙ্গনা বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। এতেই তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

এমন মন্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। সোমবারই ত্রিপুরা গিয়েছেন সায়নী। তার আগেই টুইটারে প্রধানমন্ত্রীকে এই টুইটের মাধ্যমে বিঁধেছেন যুব তৃণমূলের সভাপতি।