১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

অ্যাম্বুল্যান্সের ধাক্কায় ল্যাবকর্মীর মৃত্যু, হাসপাতাল চত্বরে প্রশ্ন নিরাপত্তা নিয়ে

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 13
মালদা: হাসপাতাল চত্বরে অ্যাম্বুল্যান্সের ধাক্কায় গুরুতর জখম হওয়া এক বেসরকারি ল্যাবকর্মীর মৃত্যু হল। মঙ্গলবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মহম্মদ রব্বানীর। তাঁর বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের কাউয়ামারী এলাকায়।
সোমবার দুপুরে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্সচালক রূপম দাস গাড়িটি হাসপাতালের সামনে রেখে কাজে যান। সেই সময় হাসপাতালের সাফাইকর্মী সিটুল হরিজন চালকের আসনে বসে অ্যাম্বুল্যান্সটি চালানোর চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় বলে অভিযোগ। হাসপাতাল চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা রব্বানীকে ধাক্কা মারার পর অ্যাম্বুল্যান্সটি একটি লোহার ব্যারিকেডে গিয়ে ধাক্কা দেয়।
গুরুতর জখম রব্বানীকে প্রথমে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, দুর্ঘটনায় তাঁর পাঁজরের তিনটি হাড় ভেঙেছিল। একদিন চিকিৎসার পর মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবার ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ মালদা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবার সঠিক তদন্ত ও দোষীর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরে অ্যাম্বুল্যান্স রাখা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ফুড ইন্সপেক্টরহীন ময়নাগুড়ি পুরসভা, খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অ্যাম্বুল্যান্সের ধাক্কায় ল্যাবকর্মীর মৃত্যু, হাসপাতাল চত্বরে প্রশ্ন নিরাপত্তা নিয়ে

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
মালদা: হাসপাতাল চত্বরে অ্যাম্বুল্যান্সের ধাক্কায় গুরুতর জখম হওয়া এক বেসরকারি ল্যাবকর্মীর মৃত্যু হল। মঙ্গলবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মহম্মদ রব্বানীর। তাঁর বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের কাউয়ামারী এলাকায়।
সোমবার দুপুরে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্সচালক রূপম দাস গাড়িটি হাসপাতালের সামনে রেখে কাজে যান। সেই সময় হাসপাতালের সাফাইকর্মী সিটুল হরিজন চালকের আসনে বসে অ্যাম্বুল্যান্সটি চালানোর চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় বলে অভিযোগ। হাসপাতাল চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকা রব্বানীকে ধাক্কা মারার পর অ্যাম্বুল্যান্সটি একটি লোহার ব্যারিকেডে গিয়ে ধাক্কা দেয়।
গুরুতর জখম রব্বানীকে প্রথমে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, দুর্ঘটনায় তাঁর পাঁজরের তিনটি হাড় ভেঙেছিল। একদিন চিকিৎসার পর মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবার ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ মালদা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবার সঠিক তদন্ত ও দোষীর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরে অ্যাম্বুল্যান্স রাখা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।