২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সবরীমালা বিতর্ক: “মন্দিরে সবাইকে স্বাগত” জানালো সবরীমালা বোর্ড

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: শেষ হল সব বিতর্ক, সবরীমালার ‘ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ড’ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পুর্নবিবেচনা না করার পথেই হাঁটল বাম সরকারের পরিচালিত ওই বোর্ড। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে বোর্ডের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, মন্দিরের প্রবেশাধিকার সবার রয়েছে। সমতার দৃষ্টিতে মন্দিরে নিয়ম হওয়া উচিত। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর সবরীমালায় মহিলাদের প্রবেশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে ঐতিহাসিক রায় দেয়, তার বিরোধিতা করে সবরীমালা মন্দিরের বোর্ড। সে সময় বোর্ড জানিয়েছিল, মহিলাদের প্রবেশধিকার বিষয়টি আরও আলোচনা সাপেক্ষ। এই রায় বলবত্ হলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি রোখার পরিকাঠামো এই মুহূর্তে নেই বলে জানায় ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ড।

পিনারাই বিজয়নের সরকার একই যুক্তি পেশ করে জানিয়ে দেয়, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পুনর্বিবেচনার বিপক্ষে কেরল। সবরীমালার মন্দিরের তান্ত্রি এবং নায়ার সার্ভিস সোসাইটির তরফে আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বিরোধিতা করে সওয়াল করেন, সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে দেশের যে কোনও ধর্মনিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে সব সম্প্রদায়ের নাগরিকের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট করে ধর্মীয় স্থানের বিষয়ে কিছু বলা নেই।

রাজ্য সরকারের আইনজীবী জয়দীপ গুপ্ত জবাবে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতিতে যে রায় আসে, তা কেরল আইনের ২৬, ২৫ (২) অনুচ্ছেদ এবং ৩(বি) ধারার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আবেদনকারীরা এই সব ধারায় কোনও প্রশ্ন তোলেননি। এ দিন মোট ৬৫টি আবেদনের সওয়াল-জবাব পর্ব শেষে, রায় সংরক্ষিত রাখলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ।

সাঁইথিয়ার রোঙ্গাইপুরে মাত্র ৩ দিনে জনগণনার কাজ শেষ, নজির মেহবুব আলমের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সবরীমালা বিতর্ক: “মন্দিরে সবাইকে স্বাগত” জানালো সবরীমালা বোর্ড

আপডেট : ৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, বুধবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: শেষ হল সব বিতর্ক, সবরীমালার ‘ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ড’ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পুর্নবিবেচনা না করার পথেই হাঁটল বাম সরকারের পরিচালিত ওই বোর্ড। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে বোর্ডের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, মন্দিরের প্রবেশাধিকার সবার রয়েছে। সমতার দৃষ্টিতে মন্দিরে নিয়ম হওয়া উচিত। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর সবরীমালায় মহিলাদের প্রবেশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে ঐতিহাসিক রায় দেয়, তার বিরোধিতা করে সবরীমালা মন্দিরের বোর্ড। সে সময় বোর্ড জানিয়েছিল, মহিলাদের প্রবেশধিকার বিষয়টি আরও আলোচনা সাপেক্ষ। এই রায় বলবত্ হলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি রোখার পরিকাঠামো এই মুহূর্তে নেই বলে জানায় ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ড।

পিনারাই বিজয়নের সরকার একই যুক্তি পেশ করে জানিয়ে দেয়, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পুনর্বিবেচনার বিপক্ষে কেরল। সবরীমালার মন্দিরের তান্ত্রি এবং নায়ার সার্ভিস সোসাইটির তরফে আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বিরোধিতা করে সওয়াল করেন, সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে দেশের যে কোনও ধর্মনিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে সব সম্প্রদায়ের নাগরিকের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট করে ধর্মীয় স্থানের বিষয়ে কিছু বলা নেই।

রাজ্য সরকারের আইনজীবী জয়দীপ গুপ্ত জবাবে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতিতে যে রায় আসে, তা কেরল আইনের ২৬, ২৫ (২) অনুচ্ছেদ এবং ৩(বি) ধারার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আবেদনকারীরা এই সব ধারায় কোনও প্রশ্ন তোলেননি। এ দিন মোট ৬৫টি আবেদনের সওয়াল-জবাব পর্ব শেষে, রায় সংরক্ষিত রাখলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ।