১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রভাব খাটিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ১০ কোটি টাকা ভরতুকি আদায়ের অভিযোগ রিনিকি ভুঁইয়া শর্মার বিরুদ্ধে

দেবজিৎ মুখার্জি: এবার প্রভাব খাটিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ১০ কোটি টাকা ভরতুকি আদায়ের অভিযোগ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিনিকি ভুঁইয়া শর্মার বিরুদ্ধে।

 

অসমের কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি করেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাধারণ কৃষকদের জন্য ‘কিষান সম্পদ’ প্রকল্পে ভরতুকির কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু অসমের মুখ্যমন্ত্রী প্রভাব খাটিয়ে নিজের পরিবারের জন্যেও ভরতুকির বন্দোবস্ত করে ফেলেছেন।” ওই একই অভিযোগে সরব হয় তৃণমূল কংগ্রেসও। আসলে এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, রিনিকির সংস্থা প্রথমে বেআইনিভাবে প্রচুর কৃষিজমি কিনেছে। তারপর সেটাকে রাতারাতি শিল্পোদ্যোগী জমি হিসাবে চিহ্নিত করে ফেলেছেন। সেই সংস্থাই ‘অ্যাগ্রো প্রসেসিং ক্লাস্টার’ নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে কেন্দ্রীয় সাহায্যের আবেদন করে এবং ১০ কোটি টাকা পেয়েও যায়।

 

পরক্ষণেই অভিযোগ খারিজ করে দেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। পালটা তিনি দাবি করেন, “আমার স্ত্রী যে কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত, সেই সংস্থার কেউই সরকারের থেকে কোনও আর্থিক ভরতুকি নেননি।” কিন্তু হিমন্তর সেই দাবি মানেননি গৌরব। এবার সরাসরি কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটের তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন,”খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের ওয়েবসাইট স্পষ্ট ভাবে ব্যক্তিটির নাম এবং তিনি যে কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত তা বলা হয়েছে। ১০ কোটি সরকারি অনুদানও অনুমোদনের কথা জানানো হয়েছে।” তারপরই তাঁর কটাক্ষ, ওই ওয়েবসাইট হ্যাক হয়েছে মনে করলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানান।

ডিভিসিতে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু মৎসজীবির

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রভাব খাটিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ১০ কোটি টাকা ভরতুকি আদায়ের অভিযোগ রিনিকি ভুঁইয়া শর্মার বিরুদ্ধে

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বুধবার

দেবজিৎ মুখার্জি: এবার প্রভাব খাটিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে ১০ কোটি টাকা ভরতুকি আদায়ের অভিযোগ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিনিকি ভুঁইয়া শর্মার বিরুদ্ধে।

 

অসমের কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি করেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাধারণ কৃষকদের জন্য ‘কিষান সম্পদ’ প্রকল্পে ভরতুকির কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু অসমের মুখ্যমন্ত্রী প্রভাব খাটিয়ে নিজের পরিবারের জন্যেও ভরতুকির বন্দোবস্ত করে ফেলেছেন।” ওই একই অভিযোগে সরব হয় তৃণমূল কংগ্রেসও। আসলে এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, রিনিকির সংস্থা প্রথমে বেআইনিভাবে প্রচুর কৃষিজমি কিনেছে। তারপর সেটাকে রাতারাতি শিল্পোদ্যোগী জমি হিসাবে চিহ্নিত করে ফেলেছেন। সেই সংস্থাই ‘অ্যাগ্রো প্রসেসিং ক্লাস্টার’ নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে কেন্দ্রীয় সাহায্যের আবেদন করে এবং ১০ কোটি টাকা পেয়েও যায়।

 

পরক্ষণেই অভিযোগ খারিজ করে দেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। পালটা তিনি দাবি করেন, “আমার স্ত্রী যে কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত, সেই সংস্থার কেউই সরকারের থেকে কোনও আর্থিক ভরতুকি নেননি।” কিন্তু হিমন্তর সেই দাবি মানেননি গৌরব। এবার সরাসরি কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটের তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন,”খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রকের ওয়েবসাইট স্পষ্ট ভাবে ব্যক্তিটির নাম এবং তিনি যে কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত তা বলা হয়েছে। ১০ কোটি সরকারি অনুদানও অনুমোদনের কথা জানানো হয়েছে।” তারপরই তাঁর কটাক্ষ, ওই ওয়েবসাইট হ্যাক হয়েছে মনে করলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানান।