২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পূর্ণাবয়ব মূর্তি প্রতিষ্ঠা তমলুকে

তমলুক: ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের বলিষ্ঠ বিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৬ তম জন্মদিন আজ। স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পীঠস্থান তমলুক শহরের বৈকুণ্ঠ সরোবরের উত্তর পার্শ্বে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচন হলো আজ বিকেলে। উদ্যোগে ছিল ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটি, তাম্রলিপ্ত শাখা’। মূর্তি উন্মোচন করেন রাজ্যের প্রাক্তন এডভোকেট জেনারেল বিমল চ্যাটার্জি। এই উপলক্ষে বিকেলে তমলুক সুইমিং ক্লাব প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষচন্দ্র নিয়ে আলোচনা করেন ‘তমলুক বিদ্যাসাগর কৃষ্টি সম্মিলনী’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মানব বেরা, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটি’র রাজ্য সম্পাদক ডাক্তার অশোক সামন্ত, তমলুক পৌরসভার চেয়ারপার্সন দীপেন্দ্র নারায়ন রায়, কো-অর্ডিনেটর সুব্রত রায় প্রমূখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মদনমোহন মাইতি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশিত হয়।

বিমল চ্যাটার্জি বলেন, সুভাষ বসুর পিতা জানকীনাথ বসু চাইতেন দেশে ইংরেজের শাসন শেষ হোক। তাই প্রচ্ছন্নভাবে হলেও তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত থেকেছেন এবং তার সন্তানগণ যথার্থভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা নিক।

মানব বেরা বলেন, বর্তমান মূল্যবোধের সংকটের সময়ে স্বাধীনতা সংগ্রামী থেকে বরেণ্য মানুষদের জীবন সংগ্রাম চর্চা অত্যন্ত জরুরি। স্বাধীনতা সংগ্রামে তমলুকের ভূমিকা এবং সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে তমলুকের ওতপ্রোত সম্পর্ক। বড় মানুষদের জীবনচর্চা মাধ্যমে এলাকায় সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা গড়ে উঠবে। কমিটি এই লক্ষে বিশিষ্ট মানুষদের আর্থিক সাহায্যে পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচিত হলো।

উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মধুসূদন জানা এবং সম্পাদক শিক্ষক সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় বলেন, তমলুক স্বাধীনতা আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। সেই স্মৃতিকে বুকে বহন করার লক্ষ্যেই আমাদের কমিটির পক্ষ থেকে এই উদ্যোগে সামিল হয়েছেন এই শহরের অসংখ্য নাগরিক। আজ সারা বাংলা নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ১২৫ তম জন্মবার্ষ উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলায় জেলায় নেতাজী জয়ন্তী পালনের কর্মসূচি হিসেবে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও সাধারণ মানুষ ও ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। যা এদেশে আজও নেতাজীর জনপ্রিয়তাকেই প্রতিফলিত করে।

এছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষীকান্তপুরেও এইদিন কমিটির লক্ষীকান্তপুর শাখার পক্ষ থেকে নেতাজীর পূর্ণাবয়ব মূর্তি প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা সংঘটিত হয়। এই উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সহ সভাপতি অধ্যাপক মহীদাস ভট্টাচার্য।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পূর্ণাবয়ব মূর্তি প্রতিষ্ঠা তমলুকে

আপডেট : ২৪ জানুয়ারী ২০২২, সোমবার

তমলুক: ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের বলিষ্ঠ বিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৬ তম জন্মদিন আজ। স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পীঠস্থান তমলুক শহরের বৈকুণ্ঠ সরোবরের উত্তর পার্শ্বে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচন হলো আজ বিকেলে। উদ্যোগে ছিল ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটি, তাম্রলিপ্ত শাখা’। মূর্তি উন্মোচন করেন রাজ্যের প্রাক্তন এডভোকেট জেনারেল বিমল চ্যাটার্জি। এই উপলক্ষে বিকেলে তমলুক সুইমিং ক্লাব প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষচন্দ্র নিয়ে আলোচনা করেন ‘তমলুক বিদ্যাসাগর কৃষ্টি সম্মিলনী’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মানব বেরা, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটি’র রাজ্য সম্পাদক ডাক্তার অশোক সামন্ত, তমলুক পৌরসভার চেয়ারপার্সন দীপেন্দ্র নারায়ন রায়, কো-অর্ডিনেটর সুব্রত রায় প্রমূখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মদনমোহন মাইতি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশিত হয়।

বিমল চ্যাটার্জি বলেন, সুভাষ বসুর পিতা জানকীনাথ বসু চাইতেন দেশে ইংরেজের শাসন শেষ হোক। তাই প্রচ্ছন্নভাবে হলেও তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত থেকেছেন এবং তার সন্তানগণ যথার্থভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা নিক।

মানব বেরা বলেন, বর্তমান মূল্যবোধের সংকটের সময়ে স্বাধীনতা সংগ্রামী থেকে বরেণ্য মানুষদের জীবন সংগ্রাম চর্চা অত্যন্ত জরুরি। স্বাধীনতা সংগ্রামে তমলুকের ভূমিকা এবং সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে তমলুকের ওতপ্রোত সম্পর্ক। বড় মানুষদের জীবনচর্চা মাধ্যমে এলাকায় সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা গড়ে উঠবে। কমিটি এই লক্ষে বিশিষ্ট মানুষদের আর্থিক সাহায্যে পূর্ণাবয়ব মূর্তি উন্মোচিত হলো।

উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মধুসূদন জানা এবং সম্পাদক শিক্ষক সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় বলেন, তমলুক স্বাধীনতা আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। সেই স্মৃতিকে বুকে বহন করার লক্ষ্যেই আমাদের কমিটির পক্ষ থেকে এই উদ্যোগে সামিল হয়েছেন এই শহরের অসংখ্য নাগরিক। আজ সারা বাংলা নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ১২৫ তম জন্মবার্ষ উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলায় জেলায় নেতাজী জয়ন্তী পালনের কর্মসূচি হিসেবে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও সাধারণ মানুষ ও ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। যা এদেশে আজও নেতাজীর জনপ্রিয়তাকেই প্রতিফলিত করে।

এছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষীকান্তপুরেও এইদিন কমিটির লক্ষীকান্তপুর শাখার পক্ষ থেকে নেতাজীর পূর্ণাবয়ব মূর্তি প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা সংঘটিত হয়। এই উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সহ সভাপতি অধ্যাপক মহীদাস ভট্টাচার্য।