১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গঙ্গাসাগরে গ্রিন করিডোর, এবারের মেলায় আঁটোসাঁটো ব্যবস্থা

 

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক:

সব তীর্থ বার বার গঙ্গা সাগর একবার । সেই সাগর মেলা নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্য সরকারের। তাই মেলায় কোনরকম ঘাটতি রাখতে রাজি নয় সরকার । করোনা রুখতে নেওয়া হয়েছে একুশ দফা কর্মসূচি। আর এতেই মেলাপ্রাঙ্গণকে করোনা মুক্ত রাখা সম্ভব হবে এমনটাই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস ।ইতিমধ্যেই গঙ্গাসাগর মেলায় ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি ‘এই নির্দেশ জারি হয়েছে। শুধু তাই নয়, গঙ্গাসাগর মেলায় প্রবেশের তেরোটি প্রবেশ পথে রাপিড টেস্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে থার্মাল চেকিংয়ের ব্যবস্থা। ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি এলাকায় নজরদারি রাখা হবে। শিয়ালদা, হাওড়া স্টেশন, বাবুঘাট, কচুবেড়িয়া সমস্ত জায়গায় থাকছে এই ব্যবস্থা। আটটি সেফহোম রাখা হয়েছে শুধুমাত্র মেলা তীর্থযাত্রীদের জন্য। যেখানে প্রায় সাতশো রোগীকে রাখা সম্ভব হবে। অন্যদিকে ডায়মন্ডহারবার, কাকদ্বীপ এবং বাঙ্গুর হাসপাতাল মিলিয়ে মোট সাতটি কোভিড হসপিটালকে পুরোমাত্রায় সমস্ত সুযোগ সুবিধা দিয়ে নির্দিষ্ট করা হচ্ছে মেলায় আসা তীর্থযাত্রীদের জন্য। কোন তীর্থযাত্রী মেলায় আসার পর যদি তার করোনা ধরা পড়ে তাহলে তৎক্ষণাৎ যাতে হাসপাতালে ভর্তি করে দেওয়া যায় সেদিকে নজর রাখছে প্রশাসন । আর তার জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে নেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা । প্রতিটি রাস্তাঘাট, অফিস ও মেলা প্রাঙ্গন সর্বত্রই স্যানিটাইজারের দায । অন্যদিকে পরিবহন দপ্তর সাগর মেলায় চলাচলকারি বাসগুলোকে স্যানিটাইজার করবে বলে জানানো হয়েছে । একইভাবে নদীতে যাত্রিবাহনকারি ভেসেল ও লঞ্চে স‍্যানিটাইজার করা হবে দ্রুততার সঙ্গে। তার পরেও যদি কোন তীর্থযাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে এবং করোনার সংক্রমণ দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে গ্রিন করিডোর ব্যবহার করে তাকে সঙ্গে সঙ্গে পাঠানো হবে হাসপাতালে । তাছাড়া ক‍্যুইক রেসপন্স টিম রাখা হয়েছে অন্যান্য তীর্থযাত্রীদের জন্য । মেলায় আসার পর তীর্থযাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট সংখ্যায় মাস্ক বিতরণ করা হবে । একই ভাবে মাস্ক বিতরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এনজিওগুলোকে। তীর্থযাত্রীরা মাস্ক ব্যবহারের পরে সেই সমস্ত মাস্ক গুলি যাতে যত্রতত্র ছড়িয়ে না ফেলে তার দিকে নজর দেবে প্রশাসন। নির্দিষ্ট কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই সমস্ত বর্জ্য পরিবহনের জন্য। তার পরেও কেউ যদি করোনায় আক্রান্ত হয় তাহলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করবে প্রশাসন। দুর্ঘটনাজনিত কারণে যদি কারও মৃত্যু হয় তার জন্য ৫ লক্ষ টাকার বীমা করেছে সরকার । আলিপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে জেলাশাসক পি ,উলগানাথান বলেন, গঙ্গাসাগর মেলায় প্রবেশ করতে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। তার জন্য প্রশাসন বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কোথাও যাতে সামাজিক দূরত্ব তৈরীর ক্ষেত্রে বাধা না হয় তাও নজর রাখা হবে । নজরদারি করবে ড্রোন। সিসিটিভির মাধ্যমেও নজর রাখা হবে ভিড় পরিস্থিতির উপর। সবমিলিয়ে প্রস্তুত গঙ্গাসাগর।

 

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গঙ্গাসাগরে গ্রিন করিডোর, এবারের মেলায় আঁটোসাঁটো ব্যবস্থা

আপডেট : ১১ জানুয়ারী ২০২১, সোমবার

 

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক:

সব তীর্থ বার বার গঙ্গা সাগর একবার । সেই সাগর মেলা নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্য সরকারের। তাই মেলায় কোনরকম ঘাটতি রাখতে রাজি নয় সরকার । করোনা রুখতে নেওয়া হয়েছে একুশ দফা কর্মসূচি। আর এতেই মেলাপ্রাঙ্গণকে করোনা মুক্ত রাখা সম্ভব হবে এমনটাই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস ।ইতিমধ্যেই গঙ্গাসাগর মেলায় ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি ‘এই নির্দেশ জারি হয়েছে। শুধু তাই নয়, গঙ্গাসাগর মেলায় প্রবেশের তেরোটি প্রবেশ পথে রাপিড টেস্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে থার্মাল চেকিংয়ের ব্যবস্থা। ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি এলাকায় নজরদারি রাখা হবে। শিয়ালদা, হাওড়া স্টেশন, বাবুঘাট, কচুবেড়িয়া সমস্ত জায়গায় থাকছে এই ব্যবস্থা। আটটি সেফহোম রাখা হয়েছে শুধুমাত্র মেলা তীর্থযাত্রীদের জন্য। যেখানে প্রায় সাতশো রোগীকে রাখা সম্ভব হবে। অন্যদিকে ডায়মন্ডহারবার, কাকদ্বীপ এবং বাঙ্গুর হাসপাতাল মিলিয়ে মোট সাতটি কোভিড হসপিটালকে পুরোমাত্রায় সমস্ত সুযোগ সুবিধা দিয়ে নির্দিষ্ট করা হচ্ছে মেলায় আসা তীর্থযাত্রীদের জন্য। কোন তীর্থযাত্রী মেলায় আসার পর যদি তার করোনা ধরা পড়ে তাহলে তৎক্ষণাৎ যাতে হাসপাতালে ভর্তি করে দেওয়া যায় সেদিকে নজর রাখছে প্রশাসন । আর তার জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে নেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা । প্রতিটি রাস্তাঘাট, অফিস ও মেলা প্রাঙ্গন সর্বত্রই স্যানিটাইজারের দায । অন্যদিকে পরিবহন দপ্তর সাগর মেলায় চলাচলকারি বাসগুলোকে স্যানিটাইজার করবে বলে জানানো হয়েছে । একইভাবে নদীতে যাত্রিবাহনকারি ভেসেল ও লঞ্চে স‍্যানিটাইজার করা হবে দ্রুততার সঙ্গে। তার পরেও যদি কোন তীর্থযাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে এবং করোনার সংক্রমণ দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে গ্রিন করিডোর ব্যবহার করে তাকে সঙ্গে সঙ্গে পাঠানো হবে হাসপাতালে । তাছাড়া ক‍্যুইক রেসপন্স টিম রাখা হয়েছে অন্যান্য তীর্থযাত্রীদের জন্য । মেলায় আসার পর তীর্থযাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট সংখ্যায় মাস্ক বিতরণ করা হবে । একই ভাবে মাস্ক বিতরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এনজিওগুলোকে। তীর্থযাত্রীরা মাস্ক ব্যবহারের পরে সেই সমস্ত মাস্ক গুলি যাতে যত্রতত্র ছড়িয়ে না ফেলে তার দিকে নজর দেবে প্রশাসন। নির্দিষ্ট কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই সমস্ত বর্জ্য পরিবহনের জন্য। তার পরেও কেউ যদি করোনায় আক্রান্ত হয় তাহলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করবে প্রশাসন। দুর্ঘটনাজনিত কারণে যদি কারও মৃত্যু হয় তার জন্য ৫ লক্ষ টাকার বীমা করেছে সরকার । আলিপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে জেলাশাসক পি ,উলগানাথান বলেন, গঙ্গাসাগর মেলায় প্রবেশ করতে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। তার জন্য প্রশাসন বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কোথাও যাতে সামাজিক দূরত্ব তৈরীর ক্ষেত্রে বাধা না হয় তাও নজর রাখা হবে । নজরদারি করবে ড্রোন। সিসিটিভির মাধ্যমেও নজর রাখা হবে ভিড় পরিস্থিতির উপর। সবমিলিয়ে প্রস্তুত গঙ্গাসাগর।