২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

NRC তালিকায় বাদ পরা ৩০০ জন ব্যক্তির থাকার জন্য ৪৬ কোটি টাকায় ডিটেনশন ক্যাম্প চালু হবে আগামী ফেব্র‍ুয়ারি মাসে

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালের ফেব্র‍ুয়ারির মধ্যেই দেশের বৃহত্তম ডিটেনশন ক্যাম্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যাবে। অসমের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে ১২৯ কিলোমিটার দূরে গোয়ালপাড়ার মাটিয়ায় প্রায় ২৫ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠছে এই ডিটেনশন ক্যাম্পটি। এখানে মোট ৩০০ জনের থাকার ব্যবস্থা থাকছে। এর জন্য খরচ হয়েছে ৪৬ কোটি টাকা। অসমের স্বরাষ্ট্র দফতরের একটি সূত্র মারফৎ জানা গেছে, আগামী ফেব্র‍ুয়ারি মাসেই ওই ডিটেনশন ক্যাম্পের উদ্বোধন হতে পারে।

 

 

লক ডাউনের জন্য নির্মাণ কাজ কিছুটা পিছিয়ে গিয়েছে, তবে এখন জোর তালে চলছে নির্মাণ শেষ করার কাজ। বিশাল এই ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকছে চারতলা করে একাধিক আবাসন। যার প্রতিটিতে ২০০ মানুষের থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া থাকছে কর্মীদের থাকার কোয়ার্টার, একাধিক শৌচাগার, চিকিৎসা কেন্দ্র, স্কুল, রান্নাঘর, খাওয়ার ঘর এবং একটি অফিস কমপ্লেক্স। গোটা শিবির ঘিরে রয়েছে ২০ থেকে ২২ ফুট উচ্চতার কংক্রিট পাঁচিল। প্রসঙ্গত, এই ধরণের ১০টি ডিটেশন ক্যাম্প তৈরির প্রস্তাব অসম সরকার দিয়ে ছিল কেন্দ্রকে। কিন্তু গোয়ালপাড়ার ক্যাম্পটি ছাড়া বাকিগুলিতে এখনও কেন্দ্রের ছাড়পত্র মেলেনি।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

NRC তালিকায় বাদ পরা ৩০০ জন ব্যক্তির থাকার জন্য ৪৬ কোটি টাকায় ডিটেনশন ক্যাম্প চালু হবে আগামী ফেব্র‍ুয়ারি মাসে

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২০, শনিবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালের ফেব্র‍ুয়ারির মধ্যেই দেশের বৃহত্তম ডিটেনশন ক্যাম্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যাবে। অসমের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে ১২৯ কিলোমিটার দূরে গোয়ালপাড়ার মাটিয়ায় প্রায় ২৫ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠছে এই ডিটেনশন ক্যাম্পটি। এখানে মোট ৩০০ জনের থাকার ব্যবস্থা থাকছে। এর জন্য খরচ হয়েছে ৪৬ কোটি টাকা। অসমের স্বরাষ্ট্র দফতরের একটি সূত্র মারফৎ জানা গেছে, আগামী ফেব্র‍ুয়ারি মাসেই ওই ডিটেনশন ক্যাম্পের উদ্বোধন হতে পারে।

 

 

লক ডাউনের জন্য নির্মাণ কাজ কিছুটা পিছিয়ে গিয়েছে, তবে এখন জোর তালে চলছে নির্মাণ শেষ করার কাজ। বিশাল এই ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকছে চারতলা করে একাধিক আবাসন। যার প্রতিটিতে ২০০ মানুষের থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া থাকছে কর্মীদের থাকার কোয়ার্টার, একাধিক শৌচাগার, চিকিৎসা কেন্দ্র, স্কুল, রান্নাঘর, খাওয়ার ঘর এবং একটি অফিস কমপ্লেক্স। গোটা শিবির ঘিরে রয়েছে ২০ থেকে ২২ ফুট উচ্চতার কংক্রিট পাঁচিল। প্রসঙ্গত, এই ধরণের ১০টি ডিটেশন ক্যাম্প তৈরির প্রস্তাব অসম সরকার দিয়ে ছিল কেন্দ্রকে। কিন্তু গোয়ালপাড়ার ক্যাম্পটি ছাড়া বাকিগুলিতে এখনও কেন্দ্রের ছাড়পত্র মেলেনি।