১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

করোনা মহামারীর পরিস্থিতিতে বিধায়িকার উদ্যোগে রক্তদান শিবির

সাকিব হাসান,সোনারপুর: প্রতিনিয়ত মানবতার নজির গড়ে চলেছে সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়িকা ফেরদৌসী বেগম। এই করোনা মহামারীর পরিস্থিতিতে রক্তের চাহিদা মেটাতে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা সোনারপুর এর কামালগাজি তে এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেন। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন সোনারপুর রাজপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান নজরুল আলী মন্ডল এবং বিধায়িকা ফেরদৌসী বেগম। এদিন ফেরদৌসী বেগম বলেন মানবতা আজ গভীর সঙ্কটের সম্মুখীন! প্রতিদিন যেখানে আমাদের ১২০ – ১৪০ ইউনিট রক্তের জোগান দিতে হতো সেখানে এখন প্রতিদিনের চাহিদা ৩০০ ইউনিট অতিক্রম করেছে এবং করোনা সহ বিভিন্ন কারনে কমেছে রক্তের জোগান। অর্থাৎ রক্তের অভাবের কারনে প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে । এখনো দেশের ৬৫% এর বেশি মানুষ নিজের রক্তের গ্রুপ ও জানেন না। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে মৃত্যুর হার আরো বাড়বে। করোনা মহামারীর শেষে হয়তো প্রতি ৩ জন মানুষের মধ্যে ২ জন জীবিত থাকবেন। কিন্তু এই রক্তের অভাব সেই সংখ্যাটা হয়তো আরো বাড়িয়ে দেবে। এর মুক্তির পথ আমাদের হাতেই আছে, কিন্তু আমরা সে পথে হাঁটছি না। যখন আমাদের নিজের নাম্বার আসবে তখন হয়তো অনেক দেরি হয়ে যাবে।

এখন প্রায় শিরোনামে আসছে কেউ ১১০ কিমি পথ অতিক্রম করে অন্যের জীবন বাঁচাতে রক্ত দিতে আসছেন আবার কেউ এক জেলা থেকে ভিন্য জেলাতে করো প্রাণ বাঁচাতে রক্ত দিতে আসছেন। তাই আমরা ঠিক করেছি ব্লাড ব্যাংক যাতে রক্ত শূন্য না থাকে সেটি ও দেখবো। এটি আমদের আরও একটি প্রচেষ্টা। উক্ত রক্তদান শিবিরে দুটি লিঙ্গের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের রক্তদাতা বেশি দেখা গিয়েছে। এই রক্তদান করোনা বিধি মেনে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

ডিভিসিতে মাছ ধরতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু মৎসজীবির

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

করোনা মহামারীর পরিস্থিতিতে বিধায়িকার উদ্যোগে রক্তদান শিবির

আপডেট : ১৩ জুন ২০২১, রবিবার

সাকিব হাসান,সোনারপুর: প্রতিনিয়ত মানবতার নজির গড়ে চলেছে সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়িকা ফেরদৌসী বেগম। এই করোনা মহামারীর পরিস্থিতিতে রক্তের চাহিদা মেটাতে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা সোনারপুর এর কামালগাজি তে এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেন। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন সোনারপুর রাজপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান নজরুল আলী মন্ডল এবং বিধায়িকা ফেরদৌসী বেগম। এদিন ফেরদৌসী বেগম বলেন মানবতা আজ গভীর সঙ্কটের সম্মুখীন! প্রতিদিন যেখানে আমাদের ১২০ – ১৪০ ইউনিট রক্তের জোগান দিতে হতো সেখানে এখন প্রতিদিনের চাহিদা ৩০০ ইউনিট অতিক্রম করেছে এবং করোনা সহ বিভিন্ন কারনে কমেছে রক্তের জোগান। অর্থাৎ রক্তের অভাবের কারনে প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে । এখনো দেশের ৬৫% এর বেশি মানুষ নিজের রক্তের গ্রুপ ও জানেন না। পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকলে মৃত্যুর হার আরো বাড়বে। করোনা মহামারীর শেষে হয়তো প্রতি ৩ জন মানুষের মধ্যে ২ জন জীবিত থাকবেন। কিন্তু এই রক্তের অভাব সেই সংখ্যাটা হয়তো আরো বাড়িয়ে দেবে। এর মুক্তির পথ আমাদের হাতেই আছে, কিন্তু আমরা সে পথে হাঁটছি না। যখন আমাদের নিজের নাম্বার আসবে তখন হয়তো অনেক দেরি হয়ে যাবে।

এখন প্রায় শিরোনামে আসছে কেউ ১১০ কিমি পথ অতিক্রম করে অন্যের জীবন বাঁচাতে রক্ত দিতে আসছেন আবার কেউ এক জেলা থেকে ভিন্য জেলাতে করো প্রাণ বাঁচাতে রক্ত দিতে আসছেন। তাই আমরা ঠিক করেছি ব্লাড ব্যাংক যাতে রক্ত শূন্য না থাকে সেটি ও দেখবো। এটি আমদের আরও একটি প্রচেষ্টা। উক্ত রক্তদান শিবিরে দুটি লিঙ্গের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের রক্তদাতা বেশি দেখা গিয়েছে। এই রক্তদান করোনা বিধি মেনে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।