২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বিহারের নতুন শিক্ষামন্ত্রী মেওয়ালাল চৌধুরী সম্পুর্ণ জাতীয় সংগীত গাইতে পারলেন না

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: বিহারে নীতীশ সরকারক্ষমতায় আসতেই শুরু হয়ে গেল বিতণ্ডা। বর্তমানে সবচেয়ে বিতর্কের বিষয়টি হল সরকারের মন্ত্রী নির্বাচন। নীতীশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া ডা. মেওয়ালাল চৌধুরী একটি অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে গিয়ে বড় হোঁচট খেলেন। পুরো গানটাই গাইতে পারলেন না। আরজেডি এই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও টু্ইটারে প্রচার করেছে। ভিডিওতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে ডা. মেওয়ালাল চৌধুরীকে নীতীশ কুমার শিক্ষামন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দিচ্ছেন, যিনি জাতীয়সঙ্গীত সম্পূর্ণ গাইতে পারলেন না। কে এই মেওয়ালাল চৌধুরী। ইনি ভাগলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ছিলেন। চৌধুরীর কার্যকালের মধ্যে ২০১২ সালে ১৬১ জন জুনিয়র বৈজ্ঞানিকের নিযুক্তি নিয়ে তার ওপর বেআইনিভাবে টাকা-পয়সার লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এমনকী চৌধুরীর বিরুদ্ধে এফআইআরও হয়। তিনি অন্তবর্তী জামিন পান। আরজেডি মেওয়ালালের শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। আরজেডি এক টু্ইটবার্তায় প্রশ্ন তোলে ‘যে বিধায়ককে সুশীল মোদি দুর্নীতির মামলায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তাকেই নীতীশকুমার মন্ত্রিসভায় স্থান দিলেন।’ এ ব্যাপারে জেডিইউ মুূপাত্র অজয় অলোক বলেন, ডা. চৌধুরীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ট্রায়াল চলছে। তাই এখনই ওঁর দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা উচিত নয়।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিহারের নতুন শিক্ষামন্ত্রী মেওয়ালাল চৌধুরী সম্পুর্ণ জাতীয় সংগীত গাইতে পারলেন না

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২০, বুধবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: বিহারে নীতীশ সরকারক্ষমতায় আসতেই শুরু হয়ে গেল বিতণ্ডা। বর্তমানে সবচেয়ে বিতর্কের বিষয়টি হল সরকারের মন্ত্রী নির্বাচন। নীতীশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া ডা. মেওয়ালাল চৌধুরী একটি অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে গিয়ে বড় হোঁচট খেলেন। পুরো গানটাই গাইতে পারলেন না। আরজেডি এই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও টু্ইটারে প্রচার করেছে। ভিডিওতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে ডা. মেওয়ালাল চৌধুরীকে নীতীশ কুমার শিক্ষামন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দিচ্ছেন, যিনি জাতীয়সঙ্গীত সম্পূর্ণ গাইতে পারলেন না। কে এই মেওয়ালাল চৌধুরী। ইনি ভাগলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ছিলেন। চৌধুরীর কার্যকালের মধ্যে ২০১২ সালে ১৬১ জন জুনিয়র বৈজ্ঞানিকের নিযুক্তি নিয়ে তার ওপর বেআইনিভাবে টাকা-পয়সার লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এমনকী চৌধুরীর বিরুদ্ধে এফআইআরও হয়। তিনি অন্তবর্তী জামিন পান। আরজেডি মেওয়ালালের শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। আরজেডি এক টু্ইটবার্তায় প্রশ্ন তোলে ‘যে বিধায়ককে সুশীল মোদি দুর্নীতির মামলায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তাকেই নীতীশকুমার মন্ত্রিসভায় স্থান দিলেন।’ এ ব্যাপারে জেডিইউ মুূপাত্র অজয় অলোক বলেন, ডা. চৌধুরীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ট্রায়াল চলছে। তাই এখনই ওঁর দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা উচিত নয়।