১১ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
১১ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের যে সমস্ত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে সেই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলি বেহাল অবস্থা

রাহুল রায়, পূর্ব বর্ধমান:

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের যে সমস্ত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে সেই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলি বেহাল অবস্থা। সেরকমই ছবি ধরা পরল ভাতার ব্লকের বিজয়পুর উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের ।এখানে দীর্ঘদিন ধরে কোন ডাক্তার বাবু নেই ।যার ফলে রোগীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়ছেন। এই সমস্ত এলাকার মানুষজনকে ডাক্তার দেখাতে ভাতার হসপিটাল ,তানাহলে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হসপিটাল যেতে হয়। বিজয়পুর হসপিটাল এর ওপর নির্ভরশীল যে সমস্ত গ্রাম সেগুলি হল, যা, নতুনগ্রাম ,বিজয়পুর ,খুরুল, কুরুম্বা, নর্যা, ভারুইডাঙ্গা, বাসুদা ও সকরা । স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখানে কেবলমাত্র একজন নার্স ও একজন ফার্মাসি আছেন। তাও আবার সকাল ১০ টায় আসেন ১২ টা সময় বাড়ি চলে যান। যার ফলে দীর্ঘ সময় এই হসপিটালে তালা বন্ধ থাকে। বিগত দিনে এখানে সমস্ত ধরনের চিকিৎসা হতো। আসতেন ডাক্তারবাবু এমনকি প্রসূতি মায়েদের বাচ্চা প্রসব এখানে হত। বর্তমানে এই হসপিটালের অবস্থা বেহাল তাই স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি তড়িঘড়ি প্রশাসন এই হসপিটালে দিকে নজর দিক। এছাড়াও যে সমস্ত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলি বেহাল অবস্থা রয়েছে সেগুলি হল, বলগোনা, এরুয়ার ,সাহেবগঞ্জ ও বোনপাস।

বীরভূমে চন্ডীদাস পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা কবি কুমুদ কিঙ্করের স্মরণ অনুষ্ঠান

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের যে সমস্ত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে সেই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলি বেহাল অবস্থা

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

রাহুল রায়, পূর্ব বর্ধমান:

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের যে সমস্ত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে সেই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলি বেহাল অবস্থা। সেরকমই ছবি ধরা পরল ভাতার ব্লকের বিজয়পুর উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের ।এখানে দীর্ঘদিন ধরে কোন ডাক্তার বাবু নেই ।যার ফলে রোগীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়ছেন। এই সমস্ত এলাকার মানুষজনকে ডাক্তার দেখাতে ভাতার হসপিটাল ,তানাহলে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হসপিটাল যেতে হয়। বিজয়পুর হসপিটাল এর ওপর নির্ভরশীল যে সমস্ত গ্রাম সেগুলি হল, যা, নতুনগ্রাম ,বিজয়পুর ,খুরুল, কুরুম্বা, নর্যা, ভারুইডাঙ্গা, বাসুদা ও সকরা । স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখানে কেবলমাত্র একজন নার্স ও একজন ফার্মাসি আছেন। তাও আবার সকাল ১০ টায় আসেন ১২ টা সময় বাড়ি চলে যান। যার ফলে দীর্ঘ সময় এই হসপিটালে তালা বন্ধ থাকে। বিগত দিনে এখানে সমস্ত ধরনের চিকিৎসা হতো। আসতেন ডাক্তারবাবু এমনকি প্রসূতি মায়েদের বাচ্চা প্রসব এখানে হত। বর্তমানে এই হসপিটালের অবস্থা বেহাল তাই স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি তড়িঘড়ি প্রশাসন এই হসপিটালে দিকে নজর দিক। এছাড়াও যে সমস্ত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলি বেহাল অবস্থা রয়েছে সেগুলি হল, বলগোনা, এরুয়ার ,সাহেবগঞ্জ ও বোনপাস।